সংবাদ শিরোনাম

নিউমাকের্ট থেকে হেফাজতের আরও এক নেতা গ্রেফতারমেলান্দহে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ড্রেজার মেশিনে আগুন দিয়ে ধ্বংসউৎপাদন বাড়াচ্ছি, শিগগিরই বাংলাদেশ টিকা পাবে: দোরাইস্বামীশরীয়তপু‌রে পা‌রিবা‌রিক দ্ব‌ন্দে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যামাগুরায় কৃষি পণ্য উৎপাদনে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘চাঁদের হাট’ সমন্বিত কৃষি খামার প্রকল্পহেফাজতের যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী গ্রেপ্তারকরোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীপিরোজপুরে একমাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১৮০০ জনবিমানবন্দরে অস্ত্র-গুলিসহ চিকিৎসক দম্পতি আটকটাঙ্গাইলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

  • আজ বৃহস্পতিবার। গ্রীষ্মকাল, ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৫:২৬মিঃ

বেড়েই চলেছে হবিগঞ্জের  নদ-নদীর পানি

⏱ | সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০ 📁 সিলেট
Habigonj

মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের হাওর অঞ্চল হিসেবে খ্যাত আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং ও লাখাই উপজেলায় নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে।

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে ক্রমেই তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এতে করে ওই তিনটি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের রাস্তা-ঘাটসহ বেশ কিছু বাড়ি-ঘর তালিয়ে যাচ্ছে।তবে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, কিছু কিছু নিচু স্থানে পানি উঠলেও বড় ধরনের বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই। বৃষ্টি কমে গেলেই নদীর পানি স্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসবে।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি শনিবার দুপুর পর্যন্ত এক টানা জেলার উপর দিয়ে বয়ে যায়। এতে করে আজমিরীগঞ্জের কুশিয়ারা কালনি ভেড়ামোহনা ও বশিরা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ওই এলাকার রাস্তা-ঘাটসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যেতে শুরু করে। এছাড়া বানিয়াচং উপজেলার পাহারপুর, মুরাদপুর, বিথঙ্গল, লাখাই উপজেলার ভবানীপুর, স্বজন গ্রামসহ আরো বেশ কিছু এলাকার কোথাও কোথাও বাড়িতেও পানি প্রবেশ করেছে। হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাকাইলছেও চৌধুরী বাজার এলাকায় নির্মিত প্রায় ১ কিলোমিটার বাজার রক্ষা বাঁধটি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার হাজারো সাধারণ জনগণকে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে কুশিয়ারা কালনি ভেড়ামোহনা ও বশিরা নদী ও খোয়াই নদীতে ক্রমাগত পানি বেড়েই চলেছে। আর এতে করে বন্যার আশঙ্কা করছেন তারা। এছাড়া রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

খালেক আহমেদ ও বাছির মিয়াসহ একাধিক ভুক্তভোগী জানান, একদিকে টানা বৃষ্টি অন্যদিকে সুনামগঞ্জ জেলার বন্যার পানি দিরাই শাল্লা হয়ে হাওর এলাকায় আজমিরীগঞ্জ হয়ে বানিয়াচঙ্গের হাওরে প্রবেশ করছে। যার ফলে পানি ক্রমাগত বাড়ছে। আর এতে রাস্তা-ঘাটসহ ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া অনেক স্থানে শাক-সবজি ও ধানের চারা নষ্ট হয়ে গেছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সরকার জানান, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ফলে নদী ও হাওরে পানি বাড়ছে। তবে বড় ধরনের কোনো বন্যার আশঙ্কা নেই।