সংবাদ শিরোনাম
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ব্রিজ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন | দক্ষিণ সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে ১৩৪ জন নৌসদস্যের ঢাকা ত্যাগ | সাতক্ষীরায় আওয়ামীপন্থী সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০ | এতিমরা একা নয়; যতদিন বেঁচে আছি ততদিন এতিমদের পাশে আছিঃ প্রধানমন্ত্রী | টেনিস বলের নামে আফিম আমদানি! দায় এড়াতে “হাস্যকর” দাবী আমদানীকারকের | মাছের সাথে কেন এমন শত্রুতা? | সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন | হিলিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন | অনলাইন ক্লাসের জন্য স্মার্টফোন পাচ্ছেন ইবি শিক্ষার্থীরা | ফরিগঞ্জে পরীক্ষার প্রশ্ন বাবদ ৩শ’ টাকা করে উত্তোলনের অভিযোগ! |
  • আজ ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনা উপসর্গ নিয়ে বাকৃবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪:২৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
bau

হাবিবুর রনি, বাকৃবি প্রতিনিধি: করোনা উপসর্গ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আব্দুল্লাহ ফাইয়াজ নামের এক শিক্ষার্থীর আকস্মিকভাবে মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন ওই শিক্ষার্থী। রবিবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে মারা যান ওই শিক্ষার্থী।

মৃত শিক্ষার্থীর বাবা আখতারুল হক মুঠোফোনে কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, ৪-৫ দিন যাবৎ জ্বর ও ডায়রিয়ায় ভূগছিল আমার ছেলে। প্রথম দিকে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে জ্বর ও ডায়রিয়ার ঔষুধ কিনে খাওয়ানো হয় তাকে। এর পরও সুস্থ না হলে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ধরনের টেস্ট করানো হয়। টেস্টে দেখা যায়, তার একটি কিডনি ও দেহের কিছু অঙ্গ ড্যামেজ হয়ে গেছে।

“গতকাল (রবিবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করা হয় এবং ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে করোনা উপসর্গ নিয়েই আমার ছেলে মারা গেছে। কিন্তু শুরু থেকেই অতটা গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে করোনা টেস্ট করানো হয়নি।”

এদিকে করোনা উপসর্গ থাকলেও কোনো রকম করোনা টেস্ট না করেই একই দিন দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা জেলার মারকাজ মসজিদে জানাজা ও পরে নিজ এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয় ওই শিক্ষার্থীকে।

ফাইয়াজ বাকৃবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলায়। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন ওই শিক্ষার্থী।

Skip to toolbar