সংবাদ শিরোনাম

শরীয়তপু‌রে পা‌রিবা‌রিক দ্ব‌ন্দে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যামাগুরায় কৃষি পণ্য উৎপাদনে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘চাঁদের হাট’ সমন্বিত কৃষি খামার প্রকল্পহেফাজতের যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী গ্রেপ্তারকরোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীপিরোজপুরে একমাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১৮০০ জনবিমানবন্দরে অস্ত্র-গুলিসহ চিকিৎসক দম্পতি আটকটাঙ্গাইলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১নওগাঁয় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে নির্যাতন, ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে উদ্ধারনোয়াখালীর সুবর্ণচরে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুর-দেবর পলাতকহেফাজত নেতা আতাউল্লাহসহ তিনজন ৫ দিনের রিমান্ডে

  • আজ বৃহস্পতিবার। গ্রীষ্মকাল, ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৪:২৪মিঃ

রিজেন্ট ও জেকেজি’র নেপথ্যের গডফাদার কারা? প্রশ্ন রিজভীর

⏱ | সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০ 📁 জাতীয়
rez

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধারদের পেছনে কারা, তারা কেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে করোনা প্রতিরোধে লক্ষ্মণভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

রিজভী বলেন, ‘আমরা জানতে চাই এর পেছনে গডফাদার কারা? এর পেছনে সেই ক্ষমতাশালী লোক তারা কারা? তারা তো ধরা পড়ে না। সাহেদের সঙ্গে, জেকেজির সঙ্গে আরও জড়িত যারা আছে তাদের তো আপনারা ধরতে পারবেন না। রুই কাতলাদের ধরতে পারবেন না, কারণ তারা ক্ষমতাশালী লোক।’

রিজভী অভিযোগ করেন, এসব কেলেঙ্কারির হোতা মো. সাহেদ ও ডা. সাবরিনা সবাই আওয়ামী লীগের লোক। দুর্নীতির খবর প্রচার হওয়ার পর চারদিকে যখন হৈ চৈ শুরু হয়েছে তখন তাদের আটক করা হলেও রুই-কাতলা ধরা পড়েনি। এদের পেছনের গডফাদারদের ধরতে হবে।

তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, সিঙ্গেল স্ট্যান্ডার্ডে চলছে আওয়ামী লীগ। তাদের মধ্যে মানবতার কোনো কাজ নেই, জনগণের পাশে দাঁড়ানোর কোনো কাজ নেই।

তিনি বলেন, জনগণের পকেট থেকে কেনা ত্রাণ আওয়ামী লীগের নেতাদের বাসা থেকে, না হলে গ্যারেজ থেকে, না হলে পুকুর থেকে পাওয়া গেছে। এভাবে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা নিজেদের পকেট থেকে অর্থ দিয়ে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মাস্কের দুর্নীতি কে করেছে? মন্ত্রীর ছেলে। করোনার জন্য জীবন বাঁচানোর মেশিন ভ্যান্টিলেটর, সেই ভেন্টিলেটর দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কে? ক্ষমতাসীন দলের লোক অথবা মন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজন। পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম চারিদিকে ছি ছি পড়ে গেছে। আওয়ামী লীগের এমন কোনও নেতা নাই যার সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিকের সম্পর্ক নাই। ছবি তুলেছেন সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু সরকারের পক্ষে স্বাস্থ্য অধিদফর অনুমোদন দিয়েছে তাদের করোনা টেস্ট করার জন্য। স্বাস্থ্য অধিদফরের ডিজি যখন অনুমোদন দেয় সেটা তো সরকারেরই অনুমোদন।’

রিজেন্ট হাসপাতালের কর্ণধার মো. সাহেদের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য তিনি। তারপরে বললেন কী? সে নাকি হওয়া ভবনের লোক। যখন ফাঁস হয়ে যায়, যখন মুখ দেখানোর কিছু থাকে না, তখন বিএনপি অথবা হাওয়া ভবনের বলে চাপিয়ে দেয় তারা।’

সংগঠনের সভাপতি শফিকুল আলম নাদিমের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব একেএম জাকির হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক জোটের সভাপতি আরিফুর রহমান মোল্লা, মুজিব উল্লাহ, মুজিব, গাজী নাজিমউদ্দিন, কাশেমুর রহমান খান, আশরাফ হিলালী, শাহ মোয়াজ্জেম সোহেল, ফয়সাল মেহবুব মিজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।