সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরও ৩৩ জন, সুস্থ ৪৯১০

৪:২১ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক- ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৩ হাজার ১৬৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৭ জন। তবে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৯১০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ২২৭ জন রোগী করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪২৪ জন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য তুলে ধরেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৭৯টি পরীক্ষাগারে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৯৮৮টি। এর মধ্য থেকে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৫৩টি। গত ২৪ ঘণ্টায় যেসব নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এর মধ্যে ৩ হাজার ১৬৩ জনের শরীরে কোভিড-১৯-এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। আর এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

বুলেটিনে জানানো হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৪২৪ জন। আক্রান্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের ২৩ জন পুরুষ এবং ১০ জন নারী। এদের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব দুইজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ছয়জন, ষাটোর্ধ্ব নয়জন, সত্তরোর্ধ্ব ১১ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী একজন ছিলেন।

১৩ জন ছিলেন ঢাকা বিভাগের, তিনজন চট্টগ্রাম বিভাগের, চারজন রাজশাহী বিভাগের, পাঁচজন সিলেট বিভাগের, পাঁচজন খুলনা বিভাগের, দুইজন রংপুর বিভাগের এবং একজন ছিলেন বরিশাল বিভাগের। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৯ জন এবং বাসায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের।