• আজ রবিবার। গ্রীষ্মকাল, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১১:১২মিঃ

সীমিত আয়োজনের হজেও অংশ নিচ্ছে ১৬০ দেশ

৬:০৮ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২০ ইসলাম

ইসলাম ডেস্ক- বৈশ্বিক মহামারী প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতির কারণে চলতি বছর সীমিত মানুষের অংশগ্রহণে হজের আয়োজন হচ্ছে। শুধুমাত্র সৌদি আরবে বসবাসকারী বিভিন্ন দেশের অধিবাসী ও দেশটির নাগরিকরা হজপালনের সুযোগ পেয়েছেন। সব মিলিয়ে হজযাত্রীর সংখ্যা দশ হাজার। এই সীমিত আয়োজনের হজেও সৌদি আরব ছাড়া থাকছে ১৬০ দেশের নাগরিকদের অংশগ্রহণ। সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

আগেই বলা হয়েছিল, মোট হজযাত্রীর ৭০ শতাংশ থাকবেন সৌদি আরবে অবস্থান করা বিভিন্ন দেশের প্রবাসী মুসলিমরা। অনলাইনে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে আবেদন করে এবারের হজে ১৬০ দেশের নাগরিকরা হজের অনুমতি পেয়েছেন। তবে কোন দেশের কতজন সেটা বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। হজের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের শিডিউল অনুযায়ী অনুমতিপত্র সঙ্গে নিয়ে হজের রীতিনীতি পালন করতে হবে।

এবারের হজে হাজিরা মিনার তাঁবুতে থাকবেন না। মিনার নির্দিষ্ট ভবনগুলোতে তারা অবস্থান করবেন। এই ভবনগুলো জামারাত থেকে মুজদালিফা যাওয়ার পথে অবস্থিত। ভবনের খুব কাছে মসজিদে খাইফ ও কংকর মারার স্থান। এখান থেকে আরাফা ও মুজদালিফা যাওয়া যায় খুব সহজে।

আগেই বলা হয়েছে, এবারের হজে কাবা শরিফ স্পর্শ ও হাজরে আসওয়াদে চুমো দেওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে তাওয়াফ ও সায়ী সম্পন্ন করতে হবে। তাওয়াফের সময দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে হাজিদের মধ্যে। নামাজের জামাতেও দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে।

এর আগে ১০ জুলাই থেকে সৌদির হজ মন্ত্রণালয় হজ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের মধ্য থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে। এরপরও হজ শুরু হওয়ার আগে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ কোভিডে আক্রান্ত কি না, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। হজ শেষে তাদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। ৬৫ বছরের কম এবং যাদের কোনো সংক্রামক ব্যধি নেই, তারাই শুধু হজে অংশ নিতে পারবেন।

হজের আনুষ্ঠনিকতা হিসেবে মিনা, মুজদালিফাহ ও আরাফাতের পবিত্র স্থানগুলোতে ১৯ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত যেতে পারবেন হাজিরা। সকল হাজিকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। এসব এলাকায় বিনা অনুমতিতে প্রবেশকারিদের ২ হাজার ৬৬৬ ডলার জরিমানা গুণতে হবে।

কোভিড পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত সংখ্যক হাজি নিয়ে এবারের হজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। মক্কার পবিত্র মসজিদ থেকে হজের সমস্ত অঞ্চল নিয়মিতভাবে জীবাণুমুক্ত করা হবে।