সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ফরিদপুরে দোয়াওবায়দুল কাদেরকে কোম্পানীগঞ্জে ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা কাদের মির্জারকরোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এমপি ফারুক চৌধুরীর মাফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কলেজ শিক্ষার্থীর ওপর হামলামামুনুল হকের কথিত শ্বশুরকে নোটিশ দেওয়ায় আ.লীগ নেতাদের হত্যার হুমকির অভিযোগ!ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চম দফায় ৪৫ আসনে ভোটগ্রহন চলছেচিরকুট লিখে হাসপাতালের ১১তলা থেকে লাফিয়ে করোনা রোগীর আত্মহত্যা!একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছি : শাকিব খানবেনাপোল ও শার্শা সীমান্ত থেকে ৯ লাখ টাকার গাঁজাসহ ২ পাচারকারী আটককবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

  • আজ ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

এবার ইসরাইলের কাছ থেকে আল-আকসা উদ্ধারের ঘোষণা এরদোগানের

১১:৪৯ অপরাহ্ন | বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২০ ইসলাম
allaa

ইসলাম ডেস্কঃ ‘আয়া সোফিয়া’কে মসজিদ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এবার ইসরাইলের কাছ থেকে মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা মসজিদ উদ্ধার করার ঘোষণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান। জেরুজালেম পোস্ট, ইসলামিক ইনফর্মেশন এর প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘আয়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে পুনঃরূপান্তরের মাধ্যমে আল আকসা মসজিদ স্বাধীন করার যাত্রা শুরু হয়েছে। আয়া সোফিয়া পুনরুদ্ধার মুসলমান ও নির্যাতিত, নিষ্পেষিত মানুষদের আশার পুনর্জাগরণের প্রথম পদক্ষেপ।’

ভাষণটির আরবি অংশে বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করা আল-আকসা মুক্তির অংশ। জেরুজালেমের পুরানো শহর যেখানে আল-আকসা মসজিদ রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণ থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

আয়া সোফিয়ার ইতিহাসের সূচনা ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে, যখন বাইজান্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান ইস্তাম্বুলের গোল্ডেন হর্ন নামে এক জায়গায় একটি বিশাল গির্জা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। সে সময় বিশাল গম্বুজের এই গির্জাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা এবং দালান বলে মনে করা হতো। ১২০৪ সালে ক্রুসেডারদের হামলার ঘটনা বাদে কয়েক শতাব্দী ধরে আয়া সোফিয়া বাইজান্টাইনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

ওসমানীয় বংশীয় সুলতান তৃতীয় মেহমেদ ১৪৫৩ সালে বাইজান্টাইন শাসকদের হাত থেকে ইস্তাম্বুল দখল করে নেন। তার আগ পর্যন্ত শহরটির নাম ছিল কনস্টান্টিনোপল। ইস্তাম্বুল দখলের পর বিজয়ী মুসলিম বাহিনী প্রথমবারের মতো গির্জার ভেতরে নামাজ আদায় করে।

ওসমানীয় শাসকেরা এরপর আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন। মসজিদের চারপাশে চারটি মিনার তৈরি করেন। গির্জার সব খ্রিস্টান প্রতিকৃতি এবং সোনালি মোজাইকগুলো কোরানের বাণী দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এর পরের কয়েক শ’ বছর ধরে আয়া সোফিয়া ছিল ওসমানীয় মুসলমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।

৪৮১ বছর পর ১৯৩৪ সালের ২৪ নভেম্বর কামাল আতাতুর্কের মন্ত্রীপরিষদ এটিকে জাদুঘরে পরিণত করে। ৮৬ বছর পর আবার তা মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।

আয়া সোফিয়া এখন তুরস্কের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান বলে স্বীকৃত। প্রতিবছর ৩৭ লাখ পর্যটক এটি দেখতে আসেন।