• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অটোরিকশায় করোনার নমুনা পাঠাচ্ছে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স!

১০:৪৬ পূর্বাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২০ দেশের খবর, রাজশাহী

অসীম কুমার সরকার, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি: জনবল-সংকটে রাজশাহীর তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। তবে দীর্ঘ ১২ বছর থেকে হাসপাতালের জেনারেটর যন্ত্রটি পড়ে আছে। তবে সেটি ব্যবহার করা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু জনবলকাঠামো এখনো ৩১ শয্যার রয়ে গেছে। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ চিকিৎসা কর্মকর্তার পদ আছে ২৯টি। তবে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৫জন। আর শূন্য রয়েছে ১৪ জন চিকিৎসকের পদ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর ৮৮টি পদের মধ্যে ১৭টি শূন্য। নিরাপত্তা প্রহরী, বাবুর্চিসহ চতুর্থ শ্রেণির ২৮টি পদের মধ্যে ১৫টি পদ খালি দীর্ঘদিন ধরে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, দুইটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও দীর্ঘদিন একটি অ্যাম্বুলেন্স অকজো হয়ে গ্যারেজে পড়ে রয়েছে। আর একটি সচল থকালেও ড্রাইভার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সেটিও চলছে না। ফলে করোনার নমুনা রামেক (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) পরীক্ষাগারে পৌঁছানো হচ্ছে ভাড়া করা অটোরিকশায়!

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোজি আরা খাতুন বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও জনবলকাঠামো ৩১ শয্যার রয়ে গেছে।

তিনি জানান, নওগাঁ হাসপাতালে ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইজন চিকিৎসক প্রেষণে আছেন। এছাড়া রাজশাহীতে প্রেষণে আছেন ক্যাশিয়ার, ফার্মাসিস্ট ও ল্যাব টেকনিশিয়ান। চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে রোগীদের সেবা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তবে জেনারেটরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জেনারেটর চালানো হয়। মাঝে মধ্যে জেনারেটরের সমস্যার জন্য বন্ধ থাকে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, করোনাকালে বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। আর গড়ে রোগী ভর্তি থাকেন ১০ থেকে ১৫ জন।