• আজ শুক্রবার। গ্রীষ্মকাল, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৩:১৯মিঃ

সৌদিতে ঈদ কবে, জানা যাবে আজ

⏱ | সোমবার, জুলাই ২০, ২০২০ 📁 ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- সৌদি আরবের নাগরিকদের সোমবার (২০ জুলাই) জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। দেশটিতে কবে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে তা আজ চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করবে।

রোববার (১৯ জুলাই) সৌদি সুপ্রিম কোর্ট এক বিবৃতিতে জানায়, সৌদিতে বসবাসরত যে কেউ এই চাঁদ দেখতে পেলে নিকটস্থ কোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং বক্তব্য রেজিস্ট্রি করে নেবেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই মুসলিম বিশ্বে বাৎসরিক ও মাসের হিসাব করা হয়। ইংরেজি বছরের ৩৬৫ দিনের বিপরীতে আরবি বছরে ৩৫৫ দিন। পবিত্র রমজান ও ইদুল ফিতর সবকিছু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। হজের দিন তারিখ ও ঈদু আজহার তারিখও চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে।

চলতি বছরে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সীমিত আকারে নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক মানুষ নিয়ে হজ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর সৌদি আরবে বসবাসরত ১৬০টি দেশের অভিবাসী ও দেশটির নাগরিকদের সমন্বয়ে দশ হাজার মানুষ এবার হজ পালনের সুযোগ পাবেন।

এর অংশ হিসাবে আজ থেকে প্রথম ধাপের ৭ দিনের কোয়ারেন্টাইন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে বলা চলে হজের আনুষ্ঠানিকতার প্রথম ধাপ শুরু হলো।

সৌদি কতৃপক্ষ জানায়, সাতদিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে ৩ জিলহজ মক্কায় প্রবেশ করে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন করবেন। এর পর ৮ জিলহজ বাদ ফজর রওয়ানা হবেন মিনা’র উদ্দেশ্যে। আর এর মধ্যদিয়ে শুরু হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।

চলতি বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা স্বার্থে বেশ কিছু নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ওই পদক্ষেপের আওতায় প্রত্যেক হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন।

রবিবার ভোর থেকে মক্কার নির্দিষ্ট এলাকাসহ মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসব স্থানে অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া কেউ প্রবেশ করলে তাকে ১০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে। এসব এলাকার পবেশ পথে কড়া নিরাপত্তা ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সড়কে টহল দিচ্ছেন। মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতের প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় নিবন্ধিত হজযাত্রীদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠিয়েছে। এসব সামগ্রীর বাইরে অন্য কিছু বহন করতে পারবে না হজযাত্রীরা। প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- একটি স্মার্ট ব্রেসলেট, দুই সেট ইহরামের কাপড়, ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি, জামারাতে নিক্ষেপের জন্য জীবাণুমুক্ত কঙ্কর, জুতা, ফোনের চার্জার, জায়নামাজ, জুতার ব্যাগ, হাতব্যাগ এবং হজের বিধি-বিধানসহ প্রাসঙ্গিক বই-পত্র ও স্বাস্থ্যবিধি সম্বলিত হজ নির্দেশিকা।

যাতায়াতের জন্য প্রতি ২০ জন করে একটি দল করা হয়েছে। প্রত্যেক বাসে বিশজন করে হজযাত্রী চলাফেরা করবেন।