সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে আরেকটি হাসপাতাল বন্ধ করলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

১০:৫৭ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২০ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- করোনাভাইরাস পরীক্ষা ও চিকিৎসায় অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অব্যাহত বিতর্কের মধ্যে রাজধানীতে আরো একটি হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল শাখা থেকে জানানো হয়, রাজধানীর শ্যামলীর ঢাকা ট্রমা সেন্টার নামে বেসরকারি ওই হাসপাতালে অভিযানে গিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। হাসপাতালটি কোনো আইনকানুন মানত না। এছাড়া তাদের কোনো কাগজপত্র নেই। তাই হাসপাতালটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহ) ডা. আমিনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

ঢাকা ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে লেখা ওই চিঠিতে ‘দ্য মেডিক্যাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) ১৯৮২’ অনুযায়ী হাসপাতালটির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া, ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সাত দিনের মধ্যে তার সুস্পষ্ট জবাব দিতে বলা হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৮ জুলাই অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো লাইসেন্স দেখাতে পারেনি। অনলাইনে যাচাই করে দেখা যায়, তাদের লাইসেন্সের মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩০ জুনের আগেই শেষ হয়ে গেছে।

হাই কোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সেবার মূল্য তালিকা উন্মুক্ত স্থানে প্রদর্শন করা হয়নি হাসপাতালটিতে। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতিও দেখেছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চিঠিতে আরও বলা হয়, “হাসপাতালটিতে চিকিৎসক অপারেশন করলেও তাকে সহায়তা করেন ওয়ার্ডবয় এবং নন-মেডিক্যাল লোকজন। হাসপাতালের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর। বিপজ্জনকভাবে অক্সিজেন রাখা হয়েছে। পরিদর্শনকালে আইসিইউ বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এমন হাসপাতাল আইসিইউ পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়।”

এর আগে করোনা পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট দেয়া, লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকা ও চিকিৎসায় অনিয়ম-দুর্নীতিসহ নানান অভিযোগে রাজধানীর রিজেন্ট হাসপাতাল (উত্তরা ও মিরপুর শাখা) বন্ধ করে দেয়া হয়। একই অভিযোগে গুলশানের শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজে অভিযান চালানো হয়েছে।