• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

২০২১ সালের আগে করোনার ভ্যাকসিন আসবে না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

১২:১২ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন নতুন আক্রান্ত এবং মৃত্যুর মিছিলের রেকর্ড প্রতিদিন ভাঙছে। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্যে বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম । প্রতিযোগিতায় নেমেছে কে কার আগে ভ্যাকসিনে তৈরীতে সফল হবে।

বর্তমান তথ্যানুযায়ী, ১৫০টিরও বেশি ভ্যাকসিন তৈরি করা হচ্ছে। এই ভ্যাকসিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে তিনটি ভ্যাকসিন, যেগুলো বিশ্ববাসীকে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে দেখাচ্ছে আশার আলো। অনেকেই ঘোষণা দিয়েছে আগামী মাসে করোনার ভ্যাকসিন বাজারে আনার ব্যাপারে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ২০২১ সালের আগে ভ্যাকসিন প্রত্যাশা না করার জন্যে। আগামী বছরের শুরুর দিকে করোনা ভ্যাকসিন আশা করতে পারে বিশ্ববাসী

ডব্লিউএইচওর জরুরি প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক মাইক রায়ান গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) জানান, ভ্যাকসিনের সুষম বণ্টনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

রায়ান বলেন, ‘আমরা ভ্যাকসিন তৈরিতে ভালোভাবেই এগোচ্ছি। একাধিক ভ্যাকসিন এখন তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে। নিরাপত্তা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনোটিই এখনো অসফল হয়নি। এটা ভালো দিক। তবে বাস্তবতা হলো, ভ্যাকসিনের জন্য আগামী বছরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।’

মাবিক রায়ান আরো জানান, ভ্যাকসিন তৈরি ও বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ হতে হবে। কারণ এটা বিশ্ববাসীর ভালোর জন্য। করোনা মহামারির ভ্যাকসিন কেবল ধনী কিংবা গরিবের জন্য নয়, ভ্যাকসিন সবার জন্য।’

এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ কর্মকর্তা।

মাইক রায়ান বলেন, ‘শিশুদের স্কুলে আনার জন্য সম্ভাব্য সবকিছুই আমাদের করতে হবে। আর, এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ যা হতে পারে, তা হলো, গোষ্ঠী সংক্রমণ বন্ধ করা। কারণ, আপনি যদি গোষ্ঠী পর্যায়ে এ রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তাহলেই আপনি স্কুল খুলতে পারবেন।’