• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদকব্যবসায়ী ইউপি মেম্বার ও রোহিঙ্গা যুবক নিহত

১২:৫৪ অপরাহ্ন | শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২০ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, কক্সবাজার– কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ উখিয়ার আলোচিত ইউপি সদস্য বখতিয়ারসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভোরে টেকনাফের হ্নীলার ওয়াব্রাংয়ে সৌদি প্রবাসী নুর হোসেনের আকাশমনি বাগানে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে গেলে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় তারা নিহত হয় বলে দাবি করেছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

পুলিশ বলছে, তারা দুজনই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় ৫টি দেশীয় তৈরি এলজি, ইয়াবা বিক্রির ১০ লাখ নগদ টাকা, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, ১৩ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন নিহত ইউপি সদস্য উখিয়ার কুতুপালংয়ের মৃত কালা মিয়ার ছেলে মৌলভী বখতিয়ার (৫৫) ওরফে বখতিয়ার উদ্দিন মেম্বার ও একই এলাকার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইউছুপ আলীর ছেলে রোহিঙ্গা মো. তাহের (২৭)। নিহত বখতিয়ার মেম্বার উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ছিলেন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফের হ্নীলার ওয়াব্রাংয়ে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইউনুছকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ উখিয়ার কুতুপালং ই ব্ল-কের ইউনুছ আলীর ছেলে ও স্থলবন্দর ব্যবসায়ী রোহিঙ্গা মো. তাহেরকে আটক করে।

তার ভাষ্য মতে, উদ্ধার ইয়াবার প্রকৃত মালিক উখিয়া কুতুপালংয়ের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মৌলভী বখতিয়ার (৫৫) ওরফে বখতিয়ার উদ্দিন মেম্বারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইয়াবা বিক্রির নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ২০ হাজার ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।

শুক্রবার ভোরে তাদেরকে নিয়ে মিয়ানমার থেকে আনা হ্নীলার ওয়াব্রাংয়ে আকাশী গাছের বাগানে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তাদের সহযোগী ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পুলিশক লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় এএসআই মাজহারুল ইসলাম কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম, মো. হাবিব এবং আবু হানিফ আহত হয়।

এতে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী ওই দুজনকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজারে পাঠান এবং সেখানকার চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।