সংবাদ শিরোনাম

নোয়াখালীতে আ’লীগ সভাপতিকে কুপিয়ে জখমসিটি ব্যাংকের স্থানান্তরিত গুলশান শাখার উদ্বোধনমেয়াদ উত্তীর্ণ বিএনপির কমিটি বাতিলের দাবিতে জামালপুরে ঝাড়ু হাতে বিক্ষোভচট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: কাদেররংপুরে ছাত্রীনিবাস থেকে কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারকক্সবাজারে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার, চলছে ভয়ংকর ব্ল্যাকমেইলওশাহজালালে জাল ভিসায় যুক্তরাজ্য যাওয়ার চেষ্টা, ভারতীয় নাগরিক আটক৪-৫ দিনের মধ্যে দেশের সব জেলায় ভ্যাকসিন যাবে: পাপনব্রাজিলে প্লেন বিধ্বস্ত, সভাপতিসহ ৪ ফুটবলার নিহতকথায় নয় কাজে দক্ষ হতে হবে: কুষ্টিয়ার এসপিকে হাইকোর্ট

  • আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শুভ জন্মদিন সজীব ওয়াজেদ জয়

◷ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন ৷ সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২০ জাতীয়
joy 2 20200

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গেই তার পথচলা। জয়ের নিশান হাতে নিয়ে যেন জন্ম। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যবেলায় জন্ম নিয়ে নাম নিলেন ‘জয়’। তাই ‘জয়’ ‘জয় বাংলা’ যেন মিলেমিশে একাকার। প্রযুক্তির ডানায় ভর করে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপে বিশ্বে বিশেষ পরিচিত দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন আজ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ২৭ জুলাই ঢাকায় পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা দম্পতির ঘরে জন্ম নেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জয় নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারের নিহত হবার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে লন্ডনে ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ৭৫ পরবর্তী সময়ে মায়ের সঙ্গে ভারতে ছিলেন। সেখানেই তার শৈশব ও কৈশোর কাটে।

ভারতের নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক শেষ করেন জয়। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন জয়। তাদের একটি মেয়ে আছে।

২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড নির্বাচিত হন। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার তিনি।

২০১০ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয় পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন। এর মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর তাকে অবৈতনিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়। বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি।