🕓 সংবাদ শিরোনাম

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্য মজুদ আছে ১৬.৬৯ লাখ মেট্রিক টনসেচের অভাবে ত্রিশালে আমন চারা রোপণে দুশ্চিন্তায় কৃষকরাবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে ২৭৬ টি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হদিস নেই!শেরপুরে ব্রক্ষপুত্র নদীর ভাঙ্গন, বিলীন হচ্ছে ফসলি জমিব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত মাকে বাঁচাতে ছেলে ইনজেকশন খুঁজে হয়রান!ফরিদপুরে গায়ে পচনধরা রোগীকে বাঁশ ঝাড়ে ফেলে দিলো স্বজনরা, উদ্ধারে পুলিশলকডাউনে বিয়ের আয়োজন করায় বর ও কনের পরিবারকে জরিমানাশাহজাদপুরে বইয়ের ভেতরে ৯০০ পিস ইয়াবা ও টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারত্রিশালে ভ্রাম্যমান আদালতের মোবাইল কোর্ট পরিচালনাঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সংস্কার কাজে মাটির ব্যবহার!

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৯ জুলাই, ২০২১ ৷

দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ


❏ সোমবার, জুলাই ২৭, ২০২০ দেশের খবর, বরিশাল

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি- ঈদুল আযহার বাকী আর মাত্র ৪ দিন। ঈদের দিন ঘনিয়ে আসায় জমে উঠেছে পঞ্চগড়ের পশুর হাটগুলো। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ হাটে নির্ধারিত খাজনার অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

প্রশাসনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও হাটে টাঙানো হয়নি সরকার নির্ধারিত খাজনার (টোল) তালিকা। হাটটির স্বাস্থ্যবিধির অবস্থাও বেহাল। হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা গা ঘেঁষাঘেঁষি করে কেনাবেচা করেন।

অনেকের মুখে মাস্ক থাকে না। কেউ কেউ সঙ্গে মাস্ক রাখলেও তা ব্যবহার করছেন না। ফলে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এবার প্রশাসন থেকে প্রতিটি গরুর জন্য ২৫০ টাকা ও খাসির জন্য ১০০ টাকা খাজনা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

১৪২৭ বাংলা সনের জন্য হাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৯ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। ইজারা নিয়েছেন ভাউলাগঞ্জ এলাকার মোঃ আজিজার রহমান। প্রতি রবিবার ও বুধবার ভাউলাগঞ্জ হাট বসে।

সোমবার হাটে আসা অন্তত ২০-২২ জন ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিটি গরুর জন্য ২৫০ টাকা খাজনা নেওয়ার কথা থাকলেও আদায় করা হচ্ছে ৩০০ টাকা করে।

শুধু ক্রেতার কাছ থেকে খাজনার টাকা আদায়ের নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না ইজারাদারের লোকজন। হাটে গরু কিনতে আসা উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ এলাকার নুরুল ইসলাম ৭৫ হাজার টাকায় একটি গরু কেনেন। তাকে খাজনা দিতে হয়েছে ৫০০ টাকা।

আর বিক্রেতা বেলাল আহমেদকে দিতে হয়েছে ১০০ টাকা। যেটাকে ইজারাদারের লোকজন চাঁদা বলে থাকে। যা অবৈধভাবে নেয়া হচ্ছে। বোদা উপজেলার বড়শশী এলাকার সাইফুল হামিদ একজোড়া গরু কিনেছেন। খাজনা বাবদ তার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৬০০ টাকা।

সাইফুল হামিদ বলেন, ‘আমার কাছ থেকে গরু প্রতি ৩০০ টাকা করে নিলেও ইজারাদারের লোকজন রসিদে টাকার অঙ্ক উল্লেখ করছেন না।’

এ বিষয়ে ভাউলাগঞ্জ হাটের ইজারাদার আজিজার রহমান বলেন, হাট ইজারা পাওয়ার পর করোনার কারণে প্রায় আড়াই মাস ধরে হাট বন্ধ ছিল। আড়াই মাসে একটি টাকাও আয় হয়নি। অথচ হাটটি এক বছরের জন্য প্রায় সাড়ে ৭৯ লাখ টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছেন তিনি। লাভ তো দূরের কথা, ইজারার পুরো টাকা উঠবে কি-না এটা নিয়েই সংশয়ে আছেন।

এই বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ তদন্ত করে দেখব।

চিলাহাটি ইউপি চেয়ারম্যান কামাল মোস্তাহারুল নয়ন বলেন, বিক্রেতার কাছে চাঁদা নেয়ার কোন নিয়ম নেই। তবে করোনার কারণে হাট বন্ধ থাকায় হয়তো ঈদের চলে আসায় নির্ধারিত টোলের থেকে বাড়তি টাকা নিচ্ছে। যদিও বিষয়টি আমার জানা নেই। এখন যেহেতু শুনলাম আমি খোঁজ নিব।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন