🕓 সংবাদ শিরোনাম

অন্যের পাসপোর্টে ভ্যাকসিন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের ৯ মাস কারাদণ্ডরংপুরে আসামির ছুরিকাঘাতে এএসআই নিহতআফগানিস্তানে অপরাধীদের হাত-পা কেটে দেওয়ার শাস্তি ফিরছে: তালিবান নেতাহুয়াওয়ে মালিকের মেয়েকে মুক্তির বদলে দুই কানাডিয়ানকে ছেড়ে দিলো চীনজাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন আজইলিশ রফতানি: বাংলাদেশের নতুন শর্তে আশাভঙ্গের শঙ্কায় ভারতনোয়াখালীতে মুরগি নিয়ে মারামারিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের, গ্রেফতার ২জরুরি ভিত্তিতে টিকা নিয়ে বৈষম্য দূর করতে হবে: জাতিসংঘে ভাষণে প্রধানমন্ত্রীফটিকছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিতবেদে পল্লীর শিশুদের হাতে নতুন বই, পড়াবেন তরুন শিক্ষার্থীরা !

  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

জমজম কূপ সম্মন্ধে কিছু বিস্ময়কর তথ্য


❏ মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২০ জানা-অজানা

জানা-অজানা ডেস্কঃ জমজম কুপ হল মক্কায় মসজিদুল হারামের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি কুয়া। এটি কাবা শরীফ থেকে ২০ মি (৬৬ ফুট) দূরে অবস্থিত। ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, নবী ইব্রাহিম (আ) তার স্ত্রী হাজেরা (আ) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ) কে মরুভূমিতে রেখে আসার পর জিবরাঈল (আ) এর পায়ের আঘাতে এর সৃষ্টি হয় জমজম কূপ। মসজিদুল হারামে আগত লোকেরা এখান থেকে পানি পান করে।

জমজম কুয়া বেশ কয়েকবার সংস্কার করা হয়। প্রথম এটি বালি ও পাথর দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ছিল। পরবর্তীতে খলিফা আল মনসুরের সময় ৭৭১ সালে এর উপর গম্বুজ এবং মার্বেল টাইলস বসানো হয়। পরবর্তীতে খলিফা আল মাহদি এটি আরো সংস্কার করেন। সর্বশেষ ২০১৭-২০১৮ সালে সৌদি বাদশাহ সংস্কার করেন। বর্তমানে এটি ভূগর্ভস্থ অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং এখানে থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি উত্তোলন করা হয়।

৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল। ভারী মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায়। এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি, সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ, এমনকি হজ্ব মউসুমে ব্যবহার ক’য়েক গুন বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না। পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি, জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল। সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে, মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি।

সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমানে আছে। এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমান বেশী থাকার কারনে এতে কোন জীবানু জন্মায় না। এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমান অন্যান্য পানির থেকে বেশী, এজন্য এই পানি শুধু পিপাসা মেটায় তা না, এই পানি ক্ষুধাও নিবারণ করে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি যে যেই নিয়তে পান করবে, তার সেই নিয়ত পূরণ হবে। যদি তুমি এই পানি রোগমুক্তির জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করবেন। যদি তুমি পিপাসা মেটানোর জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার পিপাসা দূর করবেন। যদি তুমি ক্ষুধা দূর করার উদ্দেশ্যে তা পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার ক্ষুধা দূর করে তৃপ্তি দান করবেন।

জম জমের পানি দাড়িয়ে এবং তিন শ্বাসে পান করা সুন্নাহ। পান করার সময় নিম্নের দোয়াটি পাঠ করা- উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আস’আলুকা ইলমান নাফি’আ, ওয়ারিজকান ওয়াসিয়া, ওয়াশিফা’আন মিন কুল্লি দা।

সুত্রঃ headntails

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন