🕓 সংবাদ শিরোনাম

খুব শীঘ্রই ঢাকা ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান-ড্যাপ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে:গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীসিলেটে নারী পুলিশের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা, ইন্সপেক্টর ক্লোজডনিরাপদ সড়ক বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীআফ্রিকা থেকে আসা কাউকে বোর্ডিং পাস দেয়া হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রীকিশোরীকে জন্মনিবন্ধন দেওয়ার কথা বলে কাউন্সিলরের ধর্ষণচেষ্টামানিকগঞ্জে পানির জন্য হাহাকারচেয়ারম্যান হয়েই ১০ হাজার মানুষের কষ্ট দূর করলেন মাসুদ তালুকদারহাফ ভাড়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করুন: কাদেরমেয়র আব্বাসকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশচট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ৭ জন

  • আজ শুক্রবার, ১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৩ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

পদ্মার ভাঙনের কবলে শিমুলিয়া ফেরিঘাট, ৩ নম্বর ঘাট বন্ধ


❏ বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ, মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি- পবিত্র ঈদ-উল-আযহার বাকি আর মাত্র ৩ দিন। ইতিমধ্যে নাড়ির টানে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি ফিরছে মানুষ, তাই চলছিল সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুুতিও।

এরইমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার প্রবেশ পথ শিমুলিয়া কাঠালবাড়ি নৌরুটে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে দ্বিতীয়বারের মতো ৩ নম্বর ফেরিঘাটের ৫০ গজ অদূরে আকস্মিক পদ্মার ভাঙ্গন তান্ডব শুরু হয়। এতে মুর্হুতেই বিস্তীর্ন এলাকা পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়।

ঘূর্ণায়মান স্রোতের তোড়ে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি ভয়াভহ রূপ ধারণ করলে শিমুলিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ করে দেন বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিমুলিয়া প্রান্তের এক ও দুই নম্বর ঘাট দিয়ে ৫টি ফেরি দিয়ে নৌরুট সচল রাখা হলেও ভাঙ্গন পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার শঙ্কায় শিমুলিয়া-কাঠাঁলবাড়ী নৌরুটের ফেরি চলাচল মারাত্বক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে গেল বলে জানান বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তা আহমেদ আলী।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আকস্মিক ভাঙ্গনের ফলে শিমুলিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ঘাটের পল্টুন ও অ্যাপ্রোচ সড়ক মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাই এখন শিমুলিয়া প্রান্তের এক ও দুই নম্বর ঘাট দিয়ে কোনরকমে ৫টি ফেরি চালু রেখে নৌরুট সচল রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, পদ্মায় অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির সঙ্গে প্রচন্ড গতিবেগে স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে রাতের বেলায় বন্ধ রেখে দিনের বেলায় ৫টি ফেরি দিয়ে সীমিত পরিসরে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছিল। পদ্মার মাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় ঈদের আগে চলমান পরিস্থিতি উন্নতি হবে না বলে জানায় বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা।

তাই বহরে থাকা ১৬টি ফেরির মধ্যে ৭ থেকে ৮টি ফেরি সচল রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ঈদ ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তির শিকার হওয়ার আশঙ্কাও কথা জানানো হয়েছিল। এরমধ্যে মঙ্গলবার পদ্মার ভাঙ্গন তান্ডবে শিমুলিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ঘাট বন্ধ হয়ে পড়ায় রো রো ফেরি চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সচল থাকা ৫টি ফেরির মধ্যে ৪টিই রো রো ফেরি। তাই রো রো ফেরি চলাচল করতে না পারলে মধ্যম সারির দু’একটি ফেরি দিয়ে নৌরুট সচল রাখা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া মাওয়া মেরিন অফিসার আহমেদ আলী।

এদিকে ভাঙ্গন তান্ডবে পদ্মা রুদ্রমূর্তি ধারণ করায় ঈদের ৩ দিন আগেই চরম বিপাকে পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ২৩ জেলার ঈদ ঘরমুখো হাজার হাজার যাত্রী। নৌরুট পাড়ি দিয়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা অনেকটা অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।