• আজ রবিবার, ১৭ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ১ আগস্ট, ২০২১ ৷

ঈদুল আজহা উদযাপনকে ঘিরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ গাইডলাইন

eid
❏ বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সারাবিশ্বে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যে আরেকটি ঈদের অপেক্ষায় মুসলিমরা। তা দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। ঈদুল আজহা যাতে নিরাপদভাবে শেষ হয়, সেটি নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী গাইডলাইন প্রকাশ করছে ডাব্লিউএইচও।

অসুস্থ, করোনার উপসর্গ আছে, ৬০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তি, যারা ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন তাদের জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। মাংস বিতরণে দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া বিনোদন কেন্দ্র, শপিং মলসহ জনসমাগম হয় এমন স্থান বন্ধ, জনসমাগম সীমিত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মানুষ থেকে জীবজন্তুতে ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু যেসব জীবজন্তু করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত তাদের থেকে আবার মানুষে সংক্রমিত হচ্ছে কিনা তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপরেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। সামাজিক এবং ধর্মীয় জমায়েত বাতিলের বিষয়টিকে ‘খুব গুরুত্বের সঙ্গে’ বিবেচনা করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তারপরেও কেউ যদি জমায়েতের আয়োজন করতে চাই তাহলে তাকে অবশ্যই ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। যেকোনো শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতেও বলা হয়েছে। এমনকি শুভেচ্ছা জানানোর ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যারা ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগাহে যাবেন তারা সামাজিক দূরত্ব মানার পাশাপাশি অবশ্যই মাস্ক পরে জামাতে অংশ নিবেন। যথাসম্ভব খোলা স্থানে নামাজ আয়োজন করতে বলা হয়েছে কারণ ঘরের ভেতরে বাতাস চলাচলের কম হওয়ার কারণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। ধর্মীয় আয়োজন বড় পরিসরে করার পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত পরিসরে শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোন অসুস্থ ব্যক্তি যদি আয়োজনে এসে পড়ে তাহলে তাকে শনাক্তের পর আলাদা করে তার ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিয়েছে এই গাইডলাইনে। মসজিদের বা ঈদগাহের যেসব স্থানে মানুষের হাত বেশি পড়ে সেসব জায়গায় নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং মাংস বিতরণের ক্ষেত্রে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা নীতি অনুসরণ করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোরবানি দেওয়ার সময় অবশ্যই শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বাড়িতে কোরবানির কাজ না করতে বলা হয়েছে। কোরবানির কাজ আলাদা জায়গায় করাকে তুলনামূলক বেশি নিরাপদ হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন