সংবাদ শিরোনাম

১১ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিকপাবনায় চিংড়ি মাছের শরীরে আল্লাহপাকের নাম!স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত ৪ ফেব্রুয়ারির পর: শিক্ষামন্ত্রীবিচারকের সঙ্গে অশোভন আচরণ: নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন কুষ্টিয়ার এসপি’রফরিদপুরের সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার পাশে উপজেলা চেয়ারম্যানপ্রধানমন্ত্রী আপনি প্রথম টিকাটি নিন: মির্জা ফখরুললতিফ সিদ্দিকীর দখলে থাকা ৫০ কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধারউত্তরবঙ্গে চা উৎপাদনে সর্বোচ্চ রেকর্ড অর্জনআশুলিয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ, মরে ভেসে উঠল ২ লক্ষাধিক টাকার মাছঅবশেষে দেশে অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমোদন দিলো সরকার

  • আজ ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঈদ ও বন্যায় করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে পারে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

◷ ২:১৭ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২০ জাতীয়
6666cea62974bf

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- পবিত্র ঈদুল আজহা এবং বন্যার কারণে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিপত্র (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে বেশকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। কিন্তু আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশুর হাটে ও ঈদযাত্রায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা ব্যাহত হতে পারে। এতে করে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ‘বন্যার কারণে অনেক এলাকায় একসঙ্গে এক জায়গায় অনেক মানুষকে আশ্রয় নিতে হচ্ছে। এতে করেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা ব্যাহত হতে পারে। এই দুই কারণে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন। ঈদযাত্রা ও পশুরহাট নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পরামশর্গুলো অনেক ক্ষেত্রেই মানা হচ্ছে বলে দাবি করেন জাহিদ মালেক।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা কিটের কোনো সংকট নেই। যার প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করতে পারবেন। তবে লক্ষণ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাসা থেকে অনেকেই টেলিমেডিসিন সেবা নিয়ে সুস্থ হচ্ছেন বলে পরীক্ষার হার কমে গেছে বলে মনে করেন মন্ত্রী। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি দপ্তর-সংস্থার লক্ষ্য অর্জন করতে তাগিদ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।