🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

ভারতে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত

ind
❏ শুক্রবার, জুলাই ৩১, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে নাকাল গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন ও ব্রাজিলের মতো দেশ। এবার এই ভাইরাসের হটস্পটে পরিণত হয়েছে এশিয়ার দেশ ভারত।

দেশটিতে বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও অর্ধ লক্ষাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার দেওয়া হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৫ হাজার ৭৮ জনের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া একই সময়ে আরও ৭৭৯ জন কোভিড-১৯ রোগী মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, শীর্ষ আক্রান্ত দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে আরও প্রায় আটশো মানুষের মুত্যুর পর ভারতে করোনায় প্রাণহানির সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৭৪৭ জনে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, অনেক রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সেখানকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ু উভয় রাজ্যের সরকারই ৩১ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানোর নির্দেশনা জারি করেছে। ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বরেও লকডাউনের সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ৪ আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়েছে ত্রিপুরা রাজ্য।

করোনায় আক্রান্তের হিসাবে ভারতের সামনে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্র আর ব্রাজিল। মৃত্যুর দিক থেকে দেশটি থেকে এগিয়ে থাকা বাকি দুই দেশ যুক্তরাজ্য ও মেক্সিকো। গত কয়েক দিন ধরে ভারতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজারের মতো করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। মারা যাচ্ছে গড়ে সাড়ে সাতশোর মতো মানুষ।

আইসিএমআরের ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, চলতি বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি ভারতে করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে। আরেকটি গবেষণা বলছে, নভেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। আগস্টের মাঝামাঝি করোনা সংক্রমণ পিক-এ পৌঁছে যাবে।

করোনা টিকা আবিষ্কারে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতও বসে নেই। ভ্যাকসিন চলতি বছরেই বাজারে চলে আসবে বলে আশাবাদী নয়াদিল্লি।

এদিকে পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ের্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৯৭ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৬৬ হাজার ৭২৯ জনের। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ কোটি ৯ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৭ জন।