🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

ঈদের পরদিন করোনায় ২২ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৮৬!

corona
❏ রবিবার, আগস্ট ২, ২০২০ Breaking News

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ১৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৬ জন। ৩ হাজার ৬৮৪ টি নুমনা পরীক্ষায় এ তথ্য মিলেছে।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, রোববার ৩৬৮৪ টি নুমনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যাদের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন জন। এতে দেশে সবমিলিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬ জনে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন৫৮৬ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৩৯ জন।

রোববার মৃত ২২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩ জন, খুলনা বিভাগের ৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ৪ জন, বরিশাল বিভাগের ২ জন এবং সিলেট বিভাগের ১ জন। হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন এবং বাসায় ২ জন।

প্রসঙ্গত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগীশনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এদিকে পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ের্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে রোববার সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৭৫ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮০ লাখ ৩৪ হাজার ৬৫ জনের। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৩৬ জন।