সংবাদ শিরোনাম

গাজীপুর ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০১ পিস ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার-২কক্সবাজার দুই উপজেলায় পানি সংকটে কৃষকদের হাহাকার, বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়মবেলকুচিতে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংদম্পত্তির অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে জেলহাজতে ছাত্রলীগ সম্পাদকপদ্মা নদীতে ভ্রমণতরীর উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীসবকিছু ছবি তুলে ফেসবুকে দিতে হয় না : আজহারীজামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় হাসপাতাল ওয়ার্ড বয়ের মৃত্যুবাগেরহাটে হস্তান্তরের শেখ হাসিনার উপহার ৪৩৩টি ঘর পাবনায় মায়ের পান আনতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার কলেজ ছাত্রী !শেরপুরে ফাঁসিতে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা

  • আজ ৮ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আসল এন৯৫ মাস্ক যেভাবে চিনবেন

◷ ৬:৩৭ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, আগস্ট ২, ২০২০ জানা-অজানা
nnn15 e1596371852955

জানা-অজানা ডেস্কঃ করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে ৬ মাস হয়ে গেল। এতদিন পরও প্রকোপ কমেনি। বরং আরও বেশি বিস্তার লাভ করেছে। এই মহামারি কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় তার উপায় খোঁজার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রাথমিকভাবে করোনা সংক্রমণ রোধ করতে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

করোনা প্রতিরোধে আমরা নানা ধরনের মাস্ক ব্যবহার করছি। তবে বলা হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর হচ্ছে আসল এন-৯৫ মাস্ক। তবে চিন্তার বিষয় হচ্ছে অনেক মাস্কের গায়েই লেখা থাকছে এন-৯৫ বা কে-এন-৯৫ আর এগুলোর কোনটি যে আসল এটা বুঝতে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানও ভুল করছে। আর এই না জানা ও সরলতার সুযোগ নিচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এন-৯৫ হলো যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হওয়া বিশেষ ধরনের মাস্ক। এটি সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে ৯৫ শতাংশ ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব। আবার একই ধরনের মাস্ক চীন তৈরি করেছে যাকে বলা হচ্ছে কেএন-৯৫। ইউরোপে যেসব মাস্ক তৈরি হচ্ছে তাকে বলা হচ্ছে এফপিটু।

এছাড়া এসব মাস্কের আধুনিক কিছু সংস্করণ বের হয়েছে। এর মধ্যে এফএফপি-১ ৮০ শতাংশ, এফএফপি-২ ৯৪ শতাংশ, এন-৯৯ বা এফএফপি-৯৯ ৯৯ শতাংশ, পি-৩ ৯৯.৯৫ শতাংশ, এবং এন-১০০ ৯৯.৯৯ শতাংশ দূষণ ও ভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব এন-৯৫ মাস্কে ভালভ রেসপিরেটর নেই, সেই মাস্কই সবথেকে ভালো। তবে আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়, যে মাস্ক সঠিকভাবে মুখে চেপে বসে থাকে না এবং যারা চশমা পরেন, তাদের ক্ষেত্রে মাস্ক পরে শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় চশমা ঝাপসা হয়ে গেলে বুঝতে হবে মাস্ক খুব ভালো সুরক্ষা দিচ্ছে না।

এছাড়া আরেকটি উপায় হলো আমেরিকান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (এনআইওএসএইচ) দ্বারা মাস্ক অনুমোদিত কি না তা পরখ করে দেখে নেওয়া। এন-৯৫ মাস্ক কেনার সময় নির্দিষ্ট একটি নম্বর মাস্কের গায়ে উল্লেখ করা থাকে। সঙ্গে থাকে এনআইওএসএইচের এর কথাও। মাস্কের গায়ে লেবেলে বা প্যাকেটেও উল্লেখ থাকে। যে নম্বরের মাস্ক বাজারে আছে তার গায়ের নম্বরটি তাদের ওয়েব সাইটে এন্ট্রি করা থাকে। এই সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে সেটি মিলিয়ে নিলেও এন-৯৫ মাস্ক সহজেই শনাক্ত করা যায়।mask inner

সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন আমেরিকান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ। তারা বলছে, যদি ব্যবহৃত মাস্কের ক্ষেত্রে ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনো মার্কিং না থাকে বা ফিল্টারিং মাস্কে কোনো টিসি নম্বর না থাকে তবে তা আসল এন-৯৫ নয়। যদি মাস্কের গায়ে ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকে বা ভুল বানানে লেখা কিংবা সিকোয়েন্স বা কোনো নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলেও সেটি নকল এন-৯৫ মাস্ক। এফডিএ কর্তৃক অনুমোদনের প্রমাণ হিসেবে এফডিএ নিবন্ধকরণ নম্বর লেখা থাকে।

এছাড়া ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে। পাশাপাশি এর গায়ে লেখা থাকবে, মাস্ক শিশুদের জন্য অনুমোদিত।

যেসব দেখলে বোঝা যাবে যে মাস্কটি আসল এন৯৫ নয়ঃ

১. ফিল্টারিং রেসপিরেটরে কোনও মার্কিং না থাকলে

২. ফিল্টারিং মাস্কে কোনও টিসি নম্বর না থাকলে

৩. ক্যাপিটাল লেটারে এনআইওএসএইচ লেখা না থাকা বা ভুল বানানে লেখা

৪. সিকোয়েন্স বা কোনও নকশাদার কাপড় ব্যবহার হলে

৫. শিশুদের এই মাস্ক ব্যবহারে সম্মতির উল্লেখ থাকলে (এনআইওএসএইচ কখনওই শিশুদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় মাস্কের কথা বলেনি)

৬. ফিল্টারিং রেসপিরেটর মাস্কে হেডব্যান্ড থাকার কথা। ইয়ারলুপ নয়। কারণ হেডব্যান্ড থাকলেই তা মুখে চেপে বসবে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।