সংবাদ শিরোনাম
লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ট্রেন ধরাশায়ী! | ‘দেশের সবগুলো নদী খনন করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে’- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী | শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মাগুরায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ | “সৃষ্টিকর্তার রহমতে বাংলাদেশে ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়নি” | ভারতের ভ্যাকসিন সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে ব্যয় করা হবে: মোদি | ‘সিগারেট খেয়েছি, ড্রাগস নয়..ড্রাগস নিত সুশান্ত’- সারা আলী খান | ৫ অক্টোবর ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার | পাবনা-৪ আসন উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাস বিজয়ী | ‘বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে’- শেখ হাসিনা | ‘মিয়ানমারকেই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে’- প্রধানমন্ত্রী |
  • আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম ভার্চুয়াল কোর্টে ২৯৮৫ টি জামিনের আবেদন

৪:২০ অপরাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২০ চট্টগ্রাম
cout

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: করোনার কারণে আদালতের কার্যক্রম চলেছে ভার্চুয়ালে। অনলাইনের মাধ্যমে হয়েছে জামিনের আবেদন ও শুনানি, আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন ও নতুন অভিযোগ গ্রহণের কার্যক্রম।

চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৩ মে থেকে শুরু হয় ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম। চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৩ মে থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত পর্যন্ত আসামির জামিনের আবেদন দাখিল হয় ২৯৮৫টি।

চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. নজরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় ৬২৯টি মামলায় ৬৯৩ জন আসামি জামিন পেয়েছেন এবং ২২৮১টি মামলায় ২৩১২ জন আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।

আত্মসমর্পণ পূর্বক জামিনের আবেদন শুরু হয় ৬ জুলাই থেকে। ৬ জুলাই থেকে আত্মসমর্পণ পূর্বক জামিনের আবেদন জমা পড়েছে ৬৫৩টি। সকল আবেদন নিষ্পত্তিপূর্বক ৬২৭টি মামলায় ৬৪৩ জন আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়। অপরাধের ধরণ ও গুরুত্ব বিবেচনায় ২৬ মামলায় ২৯ জন আসামির জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

সীমিত আকারে আদাতলের কার্যক্রম শুরুর পর থেকে একচুয়াল কোর্টকে উত্তর ও দক্ষিণ দুই জোনে ভাগ করে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে চট্টগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমি নিজের রোস্টার ডিউটির অংশ হিসেবে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এদিকে ৫ আগস্ট থেকে দেশের সব অধস্তন আদালতে শারীরিক উপস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। তবে আদালত প্রাঙ্গণ এবং এজলাস কক্ষে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩০ জুলাই এ বিষয়ে পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

গত ৯ মে ভার্চ্যুয়াল কোর্টে শুনানির জন্য অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ১০ মে উচ্চ আদালতের সব বিচারপতিকে নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে ফুলকোর্ট সভা করেন প্রধান বিচারপতি। ওইদিনই নিম্ন আদালতের ভার্চ্যুয়াল কোর্টে শুধু জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এরপর থেকে নিম্ন আদালতে ভার্চ্যুয়াল কোর্টে জামিন শুনানি শুরু হয়।