🕓 সংবাদ শিরোনাম

হুয়াওয়ে মালিকের মেয়েকে মুক্তির বদলে দুই কানাডিয়ানকে ছেড়ে দিলো চীনজাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন আজইলিশ রফতানি: বাংলাদেশের নতুন শর্তে আশাভঙ্গের শঙ্কায় ভারতনোয়াখালীতে মুরগি নিয়ে মারামারিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের, গ্রেফতার ২জরুরি ভিত্তিতে টিকা নিয়ে বৈষম্য দূর করতে হবে: জাতিসংঘে ভাষণে প্রধানমন্ত্রীফটিকছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিতবেদে পল্লীর শিশুদের হাতে নতুন বই, পড়াবেন তরুন শিক্ষার্থীরা !ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ খুলে দেওয়া হবে: মেয়র জাহাঙ্গীর৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ৯ কিশোরস্ত্রী প্রতিদিন গোসল করেন না, তাই ডিভোর্স চাইলেন স্বামী!

  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

চট্টগ্রাম সিটি মেয়রের পদ শূন্য, প্রশাসক হলেন আ.লীগ নেতা সুজন

sujon
❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০ চট্টগ্রাম

সময়ের কণ্ঠস্বর, চট্টগ্রামঃ করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে নির্ধারিত সময়ে ভোট করতে না পারায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে এই সিটির প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন।

নিজ দপ্তরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়রের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় বিদ্যমান পরিস্থিতির আলোকে ওই পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের সব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজনকে স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

খোরশেদ আলম সুজন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। বর্ষীয়ান এ নেতা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। চসিকের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে এ দায়িত্ব পেলেন তিনি।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে রেজাউল করিমকে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ, যিনি নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন পিছিয়ে গেছে। এ কারণে সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিল সরকার।

এতদিন চট্টগ্রাম সিটির মেয়র পদে ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি এবার মনোনয়ন পাননি।

নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পাওয়া খোরশেদ আলম সুজন ছাত্রজীবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চবি থেকে সমাজতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি সায়েন্সে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ১৯৮৬ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

প্রায় ৫০ বছরের বর্ণিল রাজনীতিক ক্যারিয়ারে অনেকবার সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন পাওয়ার সুযোগ এলেও তা বারবারই হাতছাড়া হয়েছে তার। অবশেষে জীবনের শেষবেলায় এসে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন