সংবাদ শিরোনাম
সম্মেলন ডেকে হেফাজতের আমির নির্বাচন করা হবে: বাবুনগরী | সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ৯ বছরে ৯ বিয়ে! অপেক্ষায় আরও ৪ | ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পুনর্নিয়োগ অনৈতিক ও বিধিবহির্ভূত: টিআইবি | চরফ্যাসনে ফার্মেসীতে র‍্যাবের অভিযান, দোকান বন্ধ করে পালাল ব্যবসায়ীরা | ইউএনও ওয়াহিদা ও তার স্বামীকে ঢাকায় বদলি | সবুজপাতা সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপসের উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী | ট্রাকচাপায় ছাগল মারা যাওয়ায় চালককে পিটিয়ে হত্যা | হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু | রংপুরে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা | ১৯ বছরেই সফল ডিজিটাল মার্কেটার তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী তুহিন |
  • আজ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘হতাশার কোনো জায়গা নেই, পরিবর্তন আসবে’- ফখরুল

১০:১৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, আগস্ট ৪, ২০২০ জাতীয়
fokk

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ দেশে পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, হতাশার কোনো জায়গা নেই। পরিবর্তন তো হবেই, পরিবর্তন আসতে হবে। সেই পরিবর্তনের জন্যই কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার দলের এক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়ালের স্মরণে বিএনপি এ ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করে।

ফখরুল বলেন, জনগণকে সামনে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, সবার মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করে আমাদেরকেই পরিবর্তন আনতে হবে, দেশে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তাকে সংগঠিত করে আন্দোলনের লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।

শফিউল বারী বাবু ও আবদুল আউয়াল খানের দলের প্রতি ত্যাগের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তাদের যে ত্যাগ, সেই ত্যাগের মূল্যায়ন তখনই আমরা করতে পারি- যদি সেই সংগ্রামে, সেই লড়াইয়ে আমরা সবাই সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে এ ভয়ংকর ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে পারি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা যে লড়াইটা লড়ছি- সেটা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই, এ দেশের মানুষের বেঁচে থাকার জন্য লড়াই। এ দেশের মানুষের যে মালিকানা তা ফেরত পাওয়ার লড়াই। এ লড়াইয়ে বেশির ভাগ মানুষের সমর্থন রয়েছে। গণতান্ত্রিক অবস্থা তারা ফিরে পেতে চায়, গণতন্ত্রকে ফিরে পেতে চায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন বিশ্বে যে রাজনীতি এসে দাঁড়িয়েছে, সেখানে আমাদের গণতন্ত্রের উত্তরণটা কীভাবে? এটা এত সহজ নয়। ডিক্টেটর থেকে ডেমোক্রেসি অথবা ফ্যাসিজম থেকে ডেমোক্রেসি- এটা এত সহজে আসে না। এর জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, অনেক প্রাইজ পে করতে হয়। আমরা কিন্তু গণতান্ত্রিক দল হিসেবে ইতোমধ্যেই প্রচুর দাম দিয়েছি, দিচ্ছি, দিয়ে চলেছি। ২০ লাখ নেতাকর্মী মিথ্যা মামলায়, এক লাখের ওপরে মামলা। আমাদের প্রায় হাজারের ওপর মানুষ গুম হয়ে গেছে, হাজারের ওপরে মানুষ খুন হয়ে গেছে। কথা বলার কোনো স্বাধীনতা নেই, বিচার পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থনৈতিক ন্যূনতম যেটুকু স্বাধীনতা ছিল সেটাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলে আমরা মনে করি আমাদের রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণকে সংগঠিত করা। যেই জনগণ আমরা বিশ্বাস করি, আজকে এই যে ভয়াবহ স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একটা বিক্ষুব্ধ হয়ে আছে, তাদের আমাদের সংগঠিত করতে হবে। জনগণকে সংগঠিত করার মধ্য দিয়েই কিন্তু আমরা তাদের অধিকারটা ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হব, এছাড়া হবে না।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল।