🕓 সংবাদ শিরোনাম

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্য মজুদ আছে ১৬.৬৯ লাখ মেট্রিক টনসেচের অভাবে ত্রিশালে আমন চারা রোপণে দুশ্চিন্তায় কৃষকরাবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে ২৭৬ টি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হদিস নেই!শেরপুরে ব্রক্ষপুত্র নদীর ভাঙ্গন, বিলীন হচ্ছে ফসলি জমিব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত মাকে বাঁচাতে ছেলে ইনজেকশন খুঁজে হয়রান!ফরিদপুরে গায়ে পচনধরা রোগীকে বাঁশ ঝাড়ে ফেলে দিলো স্বজনরা, উদ্ধারে পুলিশলকডাউনে বিয়ের আয়োজন করায় বর ও কনের পরিবারকে জরিমানাশাহজাদপুরে বইয়ের ভেতরে ৯০০ পিস ইয়াবা ও টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারত্রিশালে ভ্রাম্যমান আদালতের মোবাইল কোর্ট পরিচালনাঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সংস্কার কাজে মাটির ব্যবহার!

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৯ জুলাই, ২০২১ ৷

আজ হিরোশিমা দিবস

aa
❏ বুধবার, আগস্ট ৫, ২০২০ জানা-অজানা

জানা-অজানা ডেস্কঃ আজ ৬ আগস্ট, হিরোশিমা দিবস। ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাপানের হিরোশিমা শহরে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম পারমাণবিক বোমা হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এই ভয়ঙ্কর বর্বরতার জন্য আদৌ প্রস্তুত ছিল না বিশ্বের মানুষ। একসঙ্গে লাখ লাখ মানুষের এভাবে মৃত্যু ছিল অকল্পনীয়। এই অচিন্তনীয় ধ্বংস দেখে সেদিন বিস্ময়ে বোবা হয়ে গিয়েছিল বিশ্ব।

জাপানের হিরোশিমা শহরে স্থানীয় সময় তখন সকাল আটটা ১৫ মিনিট। আগেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান। মার্কিন বি-টুয়েন্টি নাইন বোমারু বিমান এনোলা গে থেকে হিরোশিমায় ফেলা হয় আণবিক বোমা ‘লিটল বয়’। বোমাটি প্রায় ৫০০ মিটার উঁচুতে বিস্ফোরিত হয়।

ওই পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিহত হন। তখনও ঘুমের মধ্যেই ছিলেন বেশিরভাগ মানুষ। মাটির সঙ্গে মিশে যায় বেশিরভাগ স্থাপনা। ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয় একটি নগরী। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় বছর শেষে আরও ৬০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

হিরোশিমার ঘটনার তিন দিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে ফ্যাটম্যান নামে আরকেটি পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। তাতে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষ নিহত হন।

তবে জাপানের আসাহি শিমবুনের এক হিসাবে বলা হয়েছে, বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগসমূহের কারণে দুই শহরে চার লাখের মতো মানুষ মারা যান। এদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।

হিরোশিমায় যেখানে বোমাটি পড়েছিল সেখানে গড়ে উঠেছে স্মৃতিস্তম্ভ। হিরোশিমা শান্তি স্মৃতি জাদুঘর ১৯৫৫ সালে নির্মাণ হয়। হিরোশিমা ১৯৪৯ সালে জাপানি পার্লামেন্ট দ্বারা শান্তির শহর ঘোষিত হয়। হিরোশিমা উপসাগরকে ঝিনুকের আঁধার বলা হয় এখন। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় এ শহর এখন হয়ে উঠেছে শান্তি আর উন্নয়নের নগরী।

একটি বিধ্বস্ত দেশ কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে তার উদাহরণ এই শহরটি। সারা বছরই লাখ লাখ পর্যটক এখানে বেড়াতে আসেন। পারমাণবিক হামলার পর পুরো শহর জ্বলে গিয়েছিল। সেই কথা ভুলতে এখন পুরো শহরে শুধু সবুজ গাছ আর ছায়া। পরিষ্কার বিস্তৃত রাস্তা ও আকাশচুম্বি দালান যেন ভুলে থাকতে চায় সেই ভয়াবহতা।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন