সংবাদ শিরোনাম

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ত্যাগের মহিমায় জীবন সাজান: কাদেরআল্লাহ’র সঙ্গে শিরক, নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত ‘ইভিল আই’ তাবিজক্ষমা চাইলেন এমপি একরামুলএবার এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রীবাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দনসৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহত

  • আজ ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ওসি প্রদীপসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

◷ ১:৪১ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
sinha 2008060235

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার রাতে কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ্’র দেওয়া আদেশের কপি, সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টসসহ টেকনাফ মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়। মোহাম্মদ ফারুক নামে আদালতের একজন বাহককে দিয়ে বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে আদালতের পরোয়ানার আদেশসহ অন্যান্য কাগজপত্র টেকনাফ মডেল থানায় পৌঁছানো হয়।’

জানা গেছে, মেজর সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলাটি আদালতের আদেশ মতে টেকনাফ মডেল থানায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলাটি রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

এর আগে পরোয়ানাভুক্ত নয় পুলিশ সদস্যসহ ১৭ জনকে প্রত্যাহার করে নেয় কর্তৃপক্ষ।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় বুধবার টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ’র আদালতে ওসি প্রদীপ ও আইসি লিয়াকতসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে তা এফআইআর হিসাবে রুজু এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব-১৫) তদন্তের নির্দেশ দেয়।

আদালত সূত্র জানায়, আদালতের আদেশ মতে দায়ের করা মামলাটি বুধবার রাতেই টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। মামলা নম্বর সিআর: ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)।

জামিন অযোগ্য ধারায় রুজু হওয়া এ মামলায় এজাহারভুক্ত নয় আসামির মধ্যে ওসি প্রদীপ ও আইসি লিয়াকত ছাড়াও আরও আছেন এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা।

এ মামলায় সাবেক মেজর সিনহার সঙ্গী ও ৩১ জুলাইয়ের ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।