সংবাদ শিরোনাম

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ত্যাগের মহিমায় জীবন সাজান: কাদেরআল্লাহ’র সঙ্গে শিরক, নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত ‘ইভিল আই’ তাবিজক্ষমা চাইলেন এমপি একরামুলএবার এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রীবাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দনসৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহত

  • আজ ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ওএসডি হলেন মাহবুব কবির মিলন

◷ ৬:১০ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০ Breaking News, জাতীয়
mahabub 228308

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলনকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে নিজের ফেসবুকে মাহবুব কবির মিলন লিখেছেন—‘ওএসডি হলাম’।

রেলের সংস্কার নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করায় ফেসবুকে তার ফলোয়ারও অনেক। বিশেষ করে রেলওয়ের যাত্রীসাধারণের কাছে মাহবুব কবির মিলন বেশ জনপ্রিয় একটি নাম। রেলকে জনবান্ধব করতে তিনি বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

ওই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, টিকিট কাটতে এনআইডি বাধ্যতামূলক করা, অনলাইনে টিকিটের টাকা রিফান্ড করা, রেলসেবা অ্যাপের মাধ্যমে ফটো বা ভিডিও যুক্ত করে তাৎক্ষণিত অভিযোগ প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।

মাহবুব কবির মিলনের প্রচেষ্টার কারণে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা বিকাশ তাদের নিরাপত্তায় ব্যাপক পরবর্তন এনেছে। এর ফলে প্রতারকরা আর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরির সুযোগ পাবে না।

এছাড়া তিনি চলতি বছর কোনোরকম দুর্নীতি ছাড়া রেলে বিপুল পরিমাণ নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আগামী বছরও নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল। এসব পরিবর্তনসহ অনেক অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি সোশ্যাল সাইট এবং বাস্তবে সবসময় সরব থাকতেন।

এর আগে, মাহবুব কবির মিলন ২০১৭ সালের আগস্ট মাস থেকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সবশেষ গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে সেখান থেকে গত ২৫ মার্চ তাকে সরিয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে (অতিরিক্তি সচিব) বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, মাহবুব কবির মিলন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে দায়িত্ব পালনকালে বেশ কিছু বহুজাতিক কোম্পানির ভেজাল ও ক্ষতিকর কোম্পানির পণ্য আটকে দেন। তার প্রচেষ্টায় বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার এমবিএম আটক রয়েছে। সম্প্রতি তিনি কৃষিপণ্যের জন্য আমদানিকারক ৪১টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিকর পণ্য শনাক্ত করেন। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায় থেকে তার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।