সংবাদ শিরোনাম

করোনা ভ্যাকসিন নিবন্ধনের অ্যাপস প্রস্তুতপৌর নির্বাচন সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে: তথ্যমন্ত্রীখালেদা জিয়ার মায়ের ১৩তম মৃত্যু বার্ষিকী পালনকরোনায় আক্রান্ত হাসানুল হক ইনু, হাসপাতালে ভর্তিভারতে টিকা নেয়ার পর ৪৪৭ জনের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া, ১ জনের মৃত্যুহাতিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার-৫জাতীয় সংসদ দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু: রাষ্ট্রপতিশাহজাদপুরে ইরি-বোরো রোপন শুরু, শৈত্যপ্রবাহের কারণে চিন্তিত কৃষকবগুড়ায় মাটি সরাতেই বেরিয়ে এলো যুবকের অর্ধগলিত লাশজার্সিতে ‘ভুলবশত’ বাংলাদেশের নাম বাদ পড়েছিল: বিসিবি

  • আজ ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আপনার সন্তান স্ট্রেসের শিকার হলে কি করবেন?

◷ ১০:৪৮ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৬, ২০২০ জানা-অজানা
stress-hormones

জানা-অজানা ডেস্কঃ হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষক দলের দাবি, প্রকৃতির মাঝে সময় কাটালে শিশুর স্বাস্থ্যেরও উন্নতি সম্ভব। প্রাক-স্কুল শিশুদের কতটা প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাবেন সেটা কিন্তু আরেক বার ভেবে দেখার সময় এসে গিয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, আপনার সন্তান কি স্ট্রেসের শিকার? তা হলে ওকে একটু বাইরে হাঁটতে নিয়ে যান। প্রকৃতির সংস্পর্শে এলে বাচ্চাদের খুব তাড়াতাড়ি মন ভালো হয়ে যায়। এমনটাই দাবি হংকংয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষক দলের। যে সব শিশুরা প্রকৃতির কাছাকাছি থাকে, তাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা, হাইপার অ্যাক্টিভিটির সমস্যা কম। তাদের মধ্যে আচরণগত ও অনুভূতিগত সমস্যাও অনেক কম দেখা যায়। এ ধরনের শিশুরা অনেক বেশি সামাজিক হয়।

প্লস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিক এই সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে, বহু পরিবারেরই হাতের কাছে একটুকরো সবুজ থাকলেও সন্তানদের নিয়ে সেখানে তারা যান না। অথচ এই ছোট্ট পদক্ষেপেই শিশুর মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

‘‘অনেক বাবা মা মনে করেন গাছপালা, মাটির মধ্যে নোংরা থাকে, এই ভাবনা পরে শিশুদের মধ্যেও সংক্রামিত হয়।”—বলেন ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের তানজা সোবকো।

অনেক সময় আবার সবুজ এলাকা যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সে জন্য সোসাইটির তরফে সেখানে ‘দূরে থাকুন’, ‘স্পর্শ করবেন না’, এ ধরনের নোটিশবোর্ড টাঙানো থাকে।

সমীক্ষক দলের তৈরি ১৬টি প্রশ্নের মধ্যে থেকে শিশুর উপরে প্রকৃতির প্রভাব সম্পর্কে চারটি বিষয়ে সরাসরি জানা গিয়েছে। শিশুর সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক, শিশু প্রকৃতির মধ্যে থাকতে কতটা উপভোগ করে, প্রকৃতির জন্য শিশুর সহানুভূতি, প্রকৃতি সম্পর্কে শিশুর সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ। প্রকৃতির মাঝে সময় কাটালে শিশুর স্বাস্থ্যেরও উন্নতি সম্ভব।

আসুন জেনে নেই স্ট্রেস কমায় এমন কিছু খাবারের কথা-

প্রোটিন জাতীয়

ডিমের সাদা অংশ, মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস যেমন মুরগির মাংস, ডাল, সাগুদানা, পনির, শুকনো খেজুর – এই খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যামিনো অ্যাসিড আছে, যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

ভিটামিন বি

ছোলা, পালং শাক, কলা, ওট, কাজু, তিল, মিষ্টি আলু, আলমন্ড মিল্ক এই খাবারগুলোতে আছে ভিটামিন বি। শরীর থেকে সেরোটনিন নিঃসরণ করে ভিটামিন বি। এই খাবারগুলো বিপাকে সাহায্য করে।

জিঙ্ক

মসুর ডাল, চীনাবাদাম, মাশরুম, সয়াবিন, লাল আটার রুটি, সামুদ্রিক মাছ, গরু-খাসির কলিজায় জিঙ্ক থাকে। প্রতিদিন আমাদের শরীরের জন্য ১৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক প্রয়োজন হয়। খাদ্য তালিকায় জিঙ্কের অভাব হলে স্ট্রেস তৈরি হয়। শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি পূরণের জন্য নিয়মিত এই খাবারগুলো খাওয়া উচিত।

ম্যাগনেসিয়াম

কলা, সবুজ শাক, লাউ, বেদানায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম। অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ডের কার্যকলাপ সক্রিয় রাখতে ম্যাগনেশিয়াম জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

অন্যান্য খাবার

লেবু, পেয়ারা, কমলালেবু, সবুজ শাকসবজি, ডার্ক চকলেট, গাজর, তিলের বীজ ও নারকেল নিয়মিত খাবেন। অতিরিক্ত স্ট্রেস থেকে ফ্রি-র‌্যাডিক্যালসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই খাবারগুলো স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে।

সুত্রঃ headntails