সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকে আজারবাইজানের পাশে থাকার আহ্বান এরদোয়ানের | প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে মিরপুরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা | ধানমন্ডিতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু | অস্ত্র মামলায় সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড | প্রতারক সাহেদের যাবজ্জীবন চায় রাষ্ট্রপক্ষ, রায় কিছুক্ষণ পরেই | সালমান শাহ’র মা-ভাইয়ের বিরুদ্ধে সামিরার ১০ কোটি টাকার মামলা | ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ৫ দিনের রিমান্ডে সাইফুর ও অর্জুন | ক্ষমা করে দিও: বিদায় বেলায় অ্যাটর্নি জেনারেলকে স্ত্রী | ছাত্রনেত্রী থেকে ৪ বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | নদীর পানি বৃদ্ধিতে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ, নওগাঁয় আবারও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত |
  • আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘অফিস পুরো খুলে সরকার করোনার সংক্রমণ বাড়াতে সহায়তা করছে’- রিজভী

৭:৪৮ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২০ জাতীয়
rezz

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ অফিস-আদালত সম্পূর্ণভাবে খুলে দিয়ে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। শুক্রবার সকালে কুড়িগ্রামে তার নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি অলেন, অফিস-আদালত খুলে সবাইকে যোগদানের জন্য নির্দেশ দিয়েছে মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য নয় নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজেদের পকেট ভারি করার জন্য। কোটি কোটি মানুষকে বিনাচিকিৎসায় ঠেলে দিয়ে ভয়ঙ্কর মরণযজ্ঞ তৈরি করেছে।

সরকার চামড়া শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করছে বলেও অভিযোগ করেছেন রিজভী। তিনি বলেন, কোরবানির সময় যেসব ট্যানারির মালিক ও আড়তদার কোরবানির চামড়া কেনেন, এবার তাঁরাও তা কেনেননি। এটা হলো সরকারের ব্যর্থতা। শুধু ব্যর্থতা নয়, সরকার পরিকল্পিতভাবে ট্যানারিশিল্পকে ধ্বংস করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে অন্য কাউকে সুবিধা দেওয়া।

রিজভী বলেন, কোরবানির ঈদের গরু-ছাগলের চামড়া নিয়ে যে তেলেসমাতি চলেছে, সেটা শুধু দুঃখজনক না, এই সরকার যে গরিবকে পিষে মারার সরকার তা তারা প্রমাণ করেছে। কয়েক বছর আগেও আমরা দেখেছি, কোরবানির পশুর চামড়া ৩০০০-৪০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, দেড়-দুই হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে ছাগলের চামড়া। এবার টাকা তো দূরের কথা, কেউ কেনার জন্যও আসেনি এবং সরকার ট্যানারি শিল্পের বিকাশ ঘটানোর জন্য যে ঋণ দিতে চেয়েছিল সে ঋণও দেয়নি।

তিনি বলেন, যেসব হালাল পশু কোরবানি দেওয়া হয়, তার চামড়া বিক্রি করে গরিব মানুষ ও এতিমদের দেওয়া হয়, এটি হচ্ছে নিয়ম। যা যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গরিবের হক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমান সরকার, যারা দিনের বেলা ভোট করতে ভয় পায়, রাতের অন্ধকারে ভোট করে, সেই সরকারের কোনো নীতি যে জনগণের পক্ষে প্রণীত হবে না, এটাই স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, মানুষ যখন চামড়া ফেলে দিচ্ছে, তখন এক টাকা দিয়েও কেউ নিতে চাচ্ছে না। আমি বলব– এই যে নীতি সরকারের, সেটি গণবিরোধী নীতি। এই গণবিরোধী নীতির কারণেই আজকে চামড়ার দাম শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে এবং চামড়াশিল্প ধ্বংসের উপক্রম হয়েছে বলে জানান তিনি।