শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে যা বললেন কাদের

৬:৪৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ১০, ২০২০ জাতীয়
obaidul-kader-218903

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ পরিস্থিতি অনুকূলে এলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সরকার যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের এ সময়ে দীর্ঘদিন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকা এবং বাসা-বাড়িতে অবস্থান করায় শিশু কিশোর এবং তরুণদের মানসিক চাপ বেড়েছে। সরকার সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার ভিক্তিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতোমধ্যে অনলাইনে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সরকার যথা সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। আমি অভিভাবকদের ধৈর্য ও সহনশীলতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানাচ্ছি।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ময়মনসিংহ জোন বিআরটিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেছেন, তাদের দলের নেতাকর্মীদের নাকি গ্রেফতার হয়রানি করা হচ্ছে। আমি আগেও বলেছি রাজনৈতিক কারণে কাকে, কোথায় গ্রেফতার, হয়রানি করা হয়েছে, বলুন। তাই বলে অপরাধীদের ধরা হবে না? অপরাধী, সন্ত্রাসীদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। সরকার বিভিন্ন অপরাধে নিজেদের দলের লোকদেরও ছাড় দিচ্ছে না। আর বিএনপি সমর্থিত কোনো অপরাধী গ্রেফতার হলে অভিযোগ কেন? দেশে অসংখ্য নজির আছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের। শেখ হাসিনা সরকার অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখে। কোথাও রাজনৈতিক কারণে হয়রানি করা হচ্ছে না। বিএনপির কোনো কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজনৈতিক কারণে?

তিনি বলেন, এদেশের মাটি বীরত্বগাথা উর্বর। আবার বিশ্বাসঘাতকতার নিকৃষ্ট নজিরও এখানে আছে। এখানে দেশপ্রেমের যেমন বিরল দৃষ্টান্ত আছে। ঠিক তেমনি ষড়যন্ত্রের গন্ধও আছে। এদেশে ঘটনার আগে কিছু বোঝা যায় না। হঠাৎ করেই চোখের পলকে ১৫ আগস্ট ঘটানো হয়েছিল। ২১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল কারা? কারা তখন ক্ষমতায় ছিল? বিএনপিই ছিল মাস্টারমাইন্ড। যারা জজ মিয়া নাটক সাজিয়ে ঘটনাকে ভিন্ন দিকে ঘুরানোর অপচেষ্টা করেছিল, তাদের মুখে হত্যার বিচার চাওয়া কি শোভা পায়?

ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসের কলঙ্কময় হত্যাকাণ্ড ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধে কারা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল? কারা কলঙ্কিত করেছিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে খুনিদের বিচার বন্ধ করে? তাই আগস্ট এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। কারণ ষড়যন্ত্রকারীদের, বিশ্বাসঘাতকদের প্রেতাত্মারা এখনো আছে। আছে তাদের ষড়যন্ত্রের নকশা। যারা এদেশের রাজনীতিতে রক্তপাত, হত্যা আর প্রতিহিংসা ছড়িয়েছে তারা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলা আরেক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে জনগণ মনে করে।