সংবাদ শিরোনাম

হবিগঞ্জে বিদ্রোহীর আগুনে পুড়েছে তিন নৌকাকক্সবাজারে পিস্তল রামদাসহ ৫ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আটকবেরোবির অনুমোদিত নকশা পরিবর্তন মেনে নেয়া যায় না: তদন্ত কমিটিঅসময়ে ঢাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, বাড়বে শীতবসুরহাট নির্বাচন নিয়ে রিজভীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ আ.লীগখালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের ইমাম মারা গেছেনইসলাম অবমাননাকর বক্তব্য থেকে পিছু হটলেন গ্রিসের সেই ধর্মগুরুহোয়াইট হাউজের বিদায়ী ভাষণে ট্রাম্প বললেন, ‘যা করতে এসেছিলাম, তার সবই করেছি’কক্সবাজারে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যাচাঁদপুরে পিঠা বিক্রির ২০ বছর উপলক্ষ্যে ফ্রিতে খাওয়াবেন বিক্রেতা!

  • আজ ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় রোগীর পেটে গজ রেখেই সেলাই করলেন চিকিৎসক!

◷ ১২:২৩ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২০ চট্টগ্রাম, দেশের খবর
comilla pic

রবিউল হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার বরুড়া পৌর এলাকার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে রোগীর পেটে গজ-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কুমিল্লার বরুড়া পৌর এলাকার ফেয়ার হসপিটাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

৯ আগস্ট কুমিল্লার আদালতে মামলাটি করেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছে।

মামলায় ওই হসপিটালের ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিবকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে রোগীর ভাই ও মামলার বাদী তানজিদ সাফি অন্তর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়া পৌর এলাকার বরুড়গ্রামের কাশেম শফি উল্লার (কাজল) মেয়ের পেটে প্রচন্ড ব্যথা হয়। ওই দিন রাতে স্বজনরা তাকে বরুড়ার ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করেন। পরে ১৩ এপ্রিল ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব অপারেশন করেন। এ সময় পেটে গজ রেখে সেলাই সম্পন্ন করেন ডা. রাজিব। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখে দেন।

এভাবে তিন মাস চলার পরও রোগীর ব্যথা কমেনি। পরে রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর তার বোনকে আলট্রাসনোগ্রাফি করান। পেটে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেন। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে অপারেশন করেন। রোগীর পেট থেকে পুঁজ বের হয়।

তানজীদ সাফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপারেশন করেন। পরে পেটে গজ রেখেই সেলাই করেন। আবার ব্যথা হলে হাই পাওয়ারের অ্যান্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রাইব করেন। তিন মাস এমন হাই পাওয়ারের ওষুধে আমার বোনের অবস্থা আরও খারাপ হয়। সঠিক বিচার চাই। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, অপারেশনের দিন তিনি ছিলেন না। রোগী যেদিন হসপিটাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছে সেদিনও তিনি হসপিটালে ছিলেন না। তবে তিনি রোগীকে ওষুধ দিয়েছেন। রোগীর অপারেশন করেছেন ডা. রাজিব।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. রাশেদ উজ-জামান রাজিব বলেন, ঘটনার যেহেতু চার মাস অতিক্রান্ত হয়েছে, তাই ফাইলপত্র দেখে বিস্তারিত জেনেই কথা বলবো। এখন এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবো না।