দেশে করোনায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯৯৫

◷ ৫:০২ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২০ Breaking News
Corona-18

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ হাজার ৫১৩ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ২ হাজার ৯৯৫ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৪৯৮ জন।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন।

সারাদেশে সরকারি ও বেসকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৬ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৫৫০ টি। আগের নমুনাসহ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৭৫১টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ২ হাজার ৭৩৯টি।

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৪২ জনের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও নারী নয়জন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৭ জন, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে তিনজন করে ছয়জন, বরিশালে একজন, সিলেটে চারজন, রংপুর ও ময়মনসিংহে দুইজন করে চারজন রয়েছেন। হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৯ জন, বাড়িতে তিনজন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের উর্ধ্বে ২৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুই জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এক জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৮৬২ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩৯২ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৫৯ হাজার ২০৭ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৩৯ হাজার ৪৭৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ৭৩০ জন।

প্রসঙ্গত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগীশনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।