সংবাদ শিরোনাম
‘দেশব্যাপী রাস্তা নির্মাণে মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে’- অর্থমন্ত্রী | সৃজিতের জন্মদিনে মিথিলার আবেগমাখা শুভেচ্ছা | ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মামুনকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি | ‘করোনা মোকাবিলায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ সফল’- তথ্যমন্ত্রী | ভিসার মেয়াদ বাড়াতে রাজি সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী | সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে, দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা | টাঙ্গাইল ঘারিন্দা ইউপি উপনির্বাচন: মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আ’লীগ প্রার্থী তোফায়েল | ‘মালেকের বিরুদ্ধে সব অভিযোগের দায় তার ব্যক্তিগত’ | ময়মনসিংহে জেএমবি সদস্য গ্রেপ্তার | একে একে ১২টি বিয়ে, মাইক্রো চালক স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান স্ত্রীরা |
  • আজ ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনার প্রভাব: রাজস্ব আয় কমেছে শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দরে

৩:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২০ অর্থনীতি, দেশের খবর, ময়মনসিংহ

মইনুল হোসেন প্লাবন, শেরপুর- করোনা ভাইরাসের প্রভাবে নালিতাবাড়ী নাকুগাঁও স্থলবন্দরে রাজস্ব আয় কমেছে। করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে ওই স্থলবন্দরে দীর্ঘদিন আমদানী-রপ্তানী বন্ধ থাকার পর অবশেষে স্বল্প পরিসরে আমদানী-রফতানী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ওই কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রাজস্ব কমে গেছে। এজন্য বেকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে স্থানীয় শ্রমিকরা।

নাকুগাঁও স্থলবন্দরের কাস্টমস ইন্সপেক্টর সঞ্জয় সরকার জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৯ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরে সরকারি নির্দেশনায় জুন থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও এখনও স্বল্প পরিসরে চলছে আমদানী রফতানী কার্যক্রম।

তিনি আরও জানান ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এ স্থলবন্দর দিয়ে ৪৮ হাজার ৬৮৫ মেট্রিক টন পাথর ৯৯ মেট্রিক টন কয়লা ও ১২ মেট্রিক টন আদা আমদানী করা হয়েছে। ওইসব পণ্য আমদানী করা থেকে রাজস্ব আয় ও গবাদী পশু নিলামে বিক্রি বাবদ জমা হওয়া ২ লাখ ৮৯ হাজার টাকাসহ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৭ হাজার টাকা। এছাড়া বন্দর দিয়ে ভারতে রফতানী করা হয়েছে ২৮০ মেট্রিক টন ক্রাউন সিমেন্ট ও ১৬৮ মেট্রিক টন পারটেক্সের বোর্ড।

আমদানী রফতানীকারক সমিতির সদস্য, ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন জানান, এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অল্প পরিমানে ভারত থেকে পাথর আমদানী শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলে পুরোদমে ব্যবসা শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, শুরু দিকে ওই বন্দর দিয়ে কয়লা আমদানী করা হতো। কিন্তু বিশেষ কারণে তা বন্ধ থাকায় করোনার আগে আবারও পাথরের পাশাপাশি কয়লা আমদানীর প্রক্রিয়াও চলে আসছিল। পাথরের সাথে যদি কয়লাও আমদানী করা যেত তাহলে ব্যবসায়ীরা আরও বেশী লাভবান হতো। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আসতো বিপুল পরিমানে রাজস্ব।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নাকুগাঁও স্থলবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা একরামুল হক বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে বন্দরের আমদানী-রফতানী কার্যক্রম প্রায় ৩ মাসের মতো বন্ধ ছিল। ওই সময়ে ব্যবসায়ীরা পাথর আমদানী করতে পারেনি। যে কারণে অনেকটাই রাজস্ব আয় কমে গেছে। যদি করোনার প্রভাব না পড়তো তাহলে কমপক্ষে ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় বাড়তো।