সংবাদ শিরোনাম

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ত্যাগের মহিমায় জীবন সাজান: কাদেরআল্লাহ’র সঙ্গে শিরক, নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত ‘ইভিল আই’ তাবিজক্ষমা চাইলেন এমপি একরামুলএবার এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রীবাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দনসৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহত

  • আজ ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ শূন্য হচ্ছে ইবি, পদ প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ

◷ ৩:২২ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
image 81429 1564390460

রায়হান মাহবুব, ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর রশিদ আসকারীর মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২০ আগস্ট। সেই সাথে শেষ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহার মেয়াদও। উভয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগামী শুক্রবার থেকে পদ দুটি শূন্য হয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম উপাচার্য হিসেবে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন উর-রশিদ আসকারী ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট নিয়োগ পান। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ খান তাকে ৪ বছরের জন্য এ পদে নিয়োগ দেন। এর আগে ১১ তম উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হাকিম সরকারকে মেয়াদ পূর্ণের আগেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তাকে অপসারণ করা হয়।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট চার বছরের জন্য ইবির উপাচার্যের সঙ্গেই কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এই উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান। পরবর্তী উপাচার্য পদের জন্য এখন প্রার্থী তিনজনই।

সূত্র মতে, ইবি উপাচার্যের পদ পেতে ডজন খানেক শিক্ষক দৌড়ঝাঁপসহ নানা তদবিরে নেমেছেন। ড. আসকারী দ্বিতীয়বার উপাচার্য হওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কোষাধ্যক্ষ ড. সেলিম তোহার নাম গতবারই উপাচার্য প্রার্থীর তালিকার শীর্ষে ছিল। এবারও উপাচার্য হওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ড. সেলিম তোহা। সেই সঙ্গে দুই মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক ড. শাহীনুর রহমান এবারও চেষ্টা করছেন এই পদে আসার জন্য।

এছাড়া উপাচার্য পদে চেষ্টা করছেন সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসিম বানু, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুবারের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার।

এর মধ্যে সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিনকে ২০১২ সালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অপসারণ করে সরকার।

এদিকে ঢাকা, জগন্নাথ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও ইসলামী বিশ্ববিদালয়ের উপাচার্য পদের জন্য চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। ইবির সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আফজাল হোসেন এবার উপাচার্য পদে চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। অধ্যাপক আফজাল ২০১২ সালে ইবির কোষাধ্যক্ষ থাকাকালে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে সরকার কর্তৃক অপসারিত হয়েছিলেন।

ইবির সাবেক শিক্ষক ও বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুজ্জামান উপাচার্য পদপ্রত্যাশী বলে জানা গেছে। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শাহ আজম শান্তনু ইবির উপাচার্য পদের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো এক শিক্ষক পি এম শফিফুল ইসলাম শফিকও উপাচার্য পদপ্রত্যাশী।

এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হওয়ার দৌড়ে আছেন ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন, অর্থনীতির অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আরফিন, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন আনোয়ারুল হক স্বপন, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক সাইদুর রহমান ও আইন বিভাগের অধ্যাপক শাহজাহান মণ্ডল প্রমুখ।