আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক বাতিলের হুমকি এরদোয়ানের

৯:০৮ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২০ আন্তর্জাতিক
erdo

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির ফলে পশ্চিম তীর অধিগ্রহণের পরিকল্পনা স্থগিত করেছে ইসরাইল। একই সঙ্গে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে চলেছে।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান এবং তুরস্ক। তুরস্ক মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর এ ঘটনা ‘ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার চিন্তাভাবনা করছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনের পর তুর্কি প্রেসিডেন্ট এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন।

এরদোয়ান বলেন, আবু ধাবিতে দূতাবাস বন্ধ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিতের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে তুরস্ক। ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তিতে পৌঁছানোয় এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে তার দেশ।

এদিকে, ফিলিস্তিনি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ফিলিস্তিন। এ ঘটনায় রামাল্লায় নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং আবুধাবীর ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান এক যুক্ত বিবৃতিতে জানায়, “এই ঐতিহাসিক অগ্রগতি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির অগ্রযাত্রায় সাহায্য করবে” বলে তারা আশা করেন।

তারা জানান, দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্কের বিনিময়ে ইসরায়েল পশ্চিম তীরের বিশাল ফিলিস্তিনি এলাকা ইসরায়েলের অংশ করে নেয়ার কাজ আপাতত স্থগিত রাখবে।