সংবাদ শিরোনাম
ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ | সিলেটে ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ছাত্রলীগের সাইফুরের বিরুদ্ধে মামলা | ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন | যে কারণে এই মুহূর্তে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন না নুর | টাঙ্গাইলে বন্যায় সড়ক বিভাগের ৬০ কিলোমিটার রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি | এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ, ছাত্রলীগের যাদের খুঁজছে পুলিশ | মসজিদে নামাজ পড়তে আসলেই উপহার পাচ্ছে শিশুরা | স্কুলছাত্রী নীলা হত্যার প্রধান আসামি মিজান গ্রেফতার |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ইসরাইল-আমিরাত চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিন

১০:৫৪ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২০ আন্তর্জাতিক
fil

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির ফলে পশ্চিম তীর অধিগ্রহণের পরিকল্পনা স্থগিত করেছে ইসরাইল। একই সঙ্গে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তথাকথিত ‘আব্রাহাম চুক্তির’ বিষয়টি ঘোষণা করেন। এ ঘোষণা শুনেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে ফিলিস্তিনিরা। এমন ঘোষণায় অবাক হয়েছেন ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষ এবং তাদের নীতিনির্ধারকরাও।

‘এই চুক্তির বিষয়ে আগে থেকে আমরা খুব একটা জানতাম না। বলেন, ফিলিস্তিনের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আহমেদ মাজদালানি। দ্রুততার সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানো এবং চুক্তি ঘোষণার সময় বিবেচনায় আমরা সত্যি বিস্মিত। বিশেষ করে ফিলিস্তিনিরা যখন নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তখন এমন ঘোষণা এলো।

প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল অথিরিটি, হামাস, ইসলামি জিহাদসহ স্থানীয় সব গোষ্ঠী বিবৃতি দিয়ে ইসরাইল-আমিরাত চুক্তির নিন্দা জানিয়েছে। প্রত্যাখ্যান করেছে তাদের চুক্তি। একে পিঠে ছুরিকাঘাত বলে আখ্যা দিয়েছেন ফিলিস্তিনি নেতারা।

‘আমরা ইতোপূর্বে জানতাম সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য তলে তলে কার্যক্রম চলছে। তবে বিষয়টা বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেভাবে স্বাবভাবিক এবং বৈধ করা হলো-তাতে আমরা হতাশ। এটা আমাদের এবং পুরো আরব জাতির পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বলেন, ফিলিস্তিনের সাবেক সমাজ কল্যাণমন্ত্রী মাজিদা আল মাসরি।

আল বাঘৌতি জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিতে নতুন কিছু যুক্ত করা হয়নি। তাদের পরিকল্পনা প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা থেকে বহু দূরে।

‘তথাকথিত ট্রাম্পের শতাব্দীর সেরা চুক্তি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ এটি। ওই পদক্ষেপের লক্ষ্য ফিলিস্তিনি জাতিসত্ত্বা মুছে ফেলা। ফিলিস্তিনি, আরব এবং মুসলামনদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

চুক্তিকে ইসরাইলের জন্য ফ্রি গিফট বলে মন্তব্য করেছেন ফিলিস্তিনি নেতারা। এ চুক্তি ট্রাম্পকে এবং নেতানিয়াহুকে নির্বাচনে জয়ী হতে সহায়তা করবে বলেও মত তাদের।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান এবং তুরস্ক। তুরস্ক মনে করে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর এ ঘটনা ‘ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান বলেছেন, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার চিন্তাভাবনা করছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনের পর তুর্কি প্রেসিডেন্ট এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন।

এরদোয়ান বলেন, আবু ধাবিতে দূতাবাস বন্ধ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিতের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে তুরস্ক।