সংবাদ শিরোনাম
লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ট্রেন ধরাশায়ী! | ‘দেশের সবগুলো নদী খনন করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে’- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী | শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মাগুরায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ | “সৃষ্টিকর্তার রহমতে বাংলাদেশে ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়নি” | ভারতের ভ্যাকসিন সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে ব্যয় করা হবে: মোদি | ‘সিগারেট খেয়েছি, ড্রাগস নয়..ড্রাগস নিত সুশান্ত’- সারা আলী খান | ৫ অক্টোবর ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার | পাবনা-৪ আসন উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাস বিজয়ী | ‘বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে’- শেখ হাসিনা | ‘মিয়ানমারকেই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে’- প্রধানমন্ত্রী |
  • আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শ্রদ্ধাভরে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস

১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২০ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস। যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সঙ্গে শ্রদ্ধাভরে দিবসটি পালন করছে দেশবাসী।

এবার করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সামাজিক দূরত্ব মেনে সরকার এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন দেশজুড়ে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে। দিনটি সরকারি ছুটির দিন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সেসময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তার তিন ছেলে- ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল এবং দশ বছর বয়সী শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল, ভাই শেখ নাসের, কৃষক নেতা আবদুর রব সেরনিয়াবাত, যুব নেতা শেখ ফজলুল হক মনি এবং তার স্ত্রী আরজু মনি, শিশু সেরনিয়াবাত, সুকান্ত বাবু, আরিফ ও আবদুল নাঈম খান রিন্টুসহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের আঠারোজন সদস্য সেদিন নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদ (বীর উত্তম) নিহত হন। একই দিনে খুনিদের কামানের গোলায় মারা যান রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একই পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যও।

বাংলাদেশের দিনপঞ্জিতে ১৫ অগাস্ট তাই শোকের দিন। দিবসটি পালনে সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।