• আজ ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মেজর (অব.) সিনহা হত্যার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, শীঘ্রই প্রতিবেদন

১০:১৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
maj-sinha-

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট শীঘ্রই জমা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। শামলাপুরে গণ শুনানি শেষে একথা বলেছেন কমিটির আহ্বায়ক চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমরা তিনবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, সংশ্লিষ্ট- এমন ৬০ জনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তাদের জবানবন্দি নিয়েছি। আশা করছি ২৩ আগস্টের মধ্যে সরকারকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো।

তদন্তদলের প্রধান এই কর্মর্কতা আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসে একাধিকবার প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তবুও গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রত্যক্ষদর্শী যেন বাদ না পড়ে সেজন্য আজকের এই শুনানির আয়োজন করা হয়।

এখানে আটজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। ১২ জন রেজিস্ট্রেশন করেছিল, কিন্তু বাকিদের প্রত্যক্ষদর্শী বলে আমাদের মনে হয়নি। তাই তাদের সাক্ষ্য নেইনি।

গণশুনানীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালেয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. মিজানুর রহমান ছাড়াও চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কক্সবাজারের এডিএম মোহা. শাজাহান আলি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাজ্জাদ এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্টদের মতে, সিনহা হত্যাকান্ডে বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করছেন তারা। এর মধ্যে এ হত্যাকান্ড পরিকল্পিত, নাকি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটেছে, কার নির্দেশে সিনহাকে গুলি করেছিলেন লিয়াকত, ঘটনার সময় আদৌ সিনহার হাতে অস্ত্র ছিল কি না, এসব বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় এসব প্রশ্নের জবাব মিলছে কিনা তা খতিয়ে দেয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিও চিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন (অব.) সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান।

এ ঘটনায় নিহতের বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে গত ৫ আগস্ট টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরির্দশক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আর মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয়েছে র‌্যাবকে। ইতিমধ্যে মামলার নতুন আইও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আসামীদের রিমান্ডেও নিয়েছেন।