• আজ ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নতুন করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ফের বন্যার শঙ্কা!

১:১৩ অপরাহ্ন | সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২০ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- টানা দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বন্যার পানিতে ডুবে থাকার পর জাগতে শুরু করেছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো। ঘরে ফিরতে শুরু করেছে বানভাসি মানুষ। বিধ্বস্ত বাড়িঘর মেরামতের চেষ্টা করছেন। এর মধ্যেই ফের হুঙ্কার দিচ্ছে বন্যা। এক দিনের ব্যবধানে বিপৎসীমার ওপরে উঠে গেছে আরও দুটি নদীর পানি প্রবাহ। নতুন করে বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করেছে বিভিন্ন এলাকায়।

বর্তমানে চারটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পর্যবেক্ষণাধীন ১০১টি পানিসমতল স্টেশনের ৫১টিতে পানি বেড়েছে। এতে করে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন দুর্ভোগে থাকা বানভাসিদের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘটসহ সবগুলো নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে তৃতীয় দফা বন্যার আশঙ্কা করছেন উত্তরের জেলা গাইবান্ধার বন্যার্তরা। ঘরবাড়ি থেকে পানি নেমে যাওয়ার পর ঘরে ফিরতে শুরু করেছিলেন তারা। কিন্তু আবারও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘদিন দুর্ভোগে থাকা মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

উজানে পাহাড়ি ঢলের কারণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ৫টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা ছাপিয়ে প্রবেশ করছে বানের পানি। চতুর্থ দফায় গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার শহর রক্ষা হার্ড পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যে কারণে কাজিপুর, এনায়েতপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, চৌহালী ও সদর উপজেলার কয়েকশ গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। চৌহালীর সদিয়াচাঁদপুর ইউনিয়নের বেতিল, বিনদহ, দেওয়ানতলা এবং মাঝগ্রামের অর্ধ শত ঘরবাড়িতে কিছুটা পানি প্রবেশ করায় নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ভুক্তভোগীরা।

যমুনার সাথে পাল্লা দিয়ে এর শাখা নদী করতোয়া, হুরাসাগর, আত্রাই ও গুমানী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানেও সবার মাঝে বন্যা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

এরআগে ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতের দার্জিলিং, সিকিম, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরার বিভিন্ন স্থানে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র গত সপ্তাহের পূর্বভাসে জানিয়েছিল, ১৫ আগস্টের পর দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলে পুনরায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। বর্তমানে সেদিকেই যাচ্ছে পরিস্থিতি।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থা বিরাজমান। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা-ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি-বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর জুনের শেষ থেকে দেশে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সে সময় স্বল্প মেয়াদী বন্যা জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এরপর সে রেষ কাটতে না কাটতেই জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে মধ্যমেয়াদী বন্যা শুরু হয়, যার রেশ এখনো আছে। এই অবস্থায় নতুন করে পুনরায় স্বপ্ল মেয়াদী বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Durga puja আজ মহাষ্টামী

শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০

Durga ma শারদীয় দুর্গাপূজার আজ সপ্তমী

শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২০

Durga puja দুর্গাপূজার সব তিথিই ‘মহা’নয়

শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২০

dhormoghot নৌ ধর্মঘট প্রত্যাহার

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২০

শারদীয় দুর্গোৎসব ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২০