সংবাদ শিরোনাম

ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যা বললেন বাইডেন | শেখ হাসিনার প্রশংসায় কমনওয়েলথ মহাসচিব | সারাদেশে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২০ | ঠাকুরগাঁওয়ে পরিত্যক্ত ঘরে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগ! | অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল নগরকান্দা ব্লাড ডোনার্স ক্লাব | কৃষি বিক্ষোভে ট্রুডোর সমর্থন, কানাডার রাষ্ট্রদূত তলব করে ভারতের প্রতিবাদ | প্রতি শুক্রবার উইঘুর মুসলিমদের শূকর খেতে বাধ্য করে চীন | ছাত্রকে বলাৎকার, মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে দিলেন জনতা | মধ্যরাত থেকে করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া দেশে প্রবেশ নিষেধ | বিদায় নেয়ার আগে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা ট্রাম্প প্রশাসনের |

  • আজ ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আগামী ২২ আগস্ট থেকে খুলে যাচ্ছে চট্টগ্রামের বিনোদন স্পটগুলো

⏱ ২:৫৯ অপরাহ্ন | বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২০ 📂 চট্টগ্রাম, দেশের খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্রগ্রাম- পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর খুলছে চট্টগ্রামের বিনোদন স্পটগুলো। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ করে দেওয়া বিনোদন স্পটগুলো ২২ আগস্ট থেকে তা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের এক সভায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।

তিনি জানান, ১৬টি শর্তে আগামী ২২ আগস্ট থেকে বিনোদন কেন্দ্রগুলো খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। করোনা সংক্রমণ ক্রমাগতভাবে কমতির দিকে থাকায় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলোর উপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছি। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দর্শনার্থীদের বিনোদন কেন্দ্রে যেতে হবে।

প্রসঙ্গত, ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন ব্যক্তির শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় সরকার ১৬ মার্চ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ছুটি পেয়ে ১৭ মার্চ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে জনসাধারণ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা সমালোচনা শুরু হয়। এর পরদিন ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম নগর পুলিশ, জেলা প্রশাসন যৌথ সিদ্ধান্তে নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, সিআরবি শিরিষতলা, ডিসিহিল, চিড়িয়াখানা, ফয়’স লেক, কর্ণফুলী শিশুপার্ক, আগ্রাবাদ জাম্বুরি পার্ক, চান্দগাঁও স্বাধীনতা কমপ্লেক্সসহ সব বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পাশাপাশি আনোয়ারার পারকি সৈকত, রাঙ্গুনিয়ার শেখ রাসেল এভিয়েরি পার্ক, সীতাকুণ্ড ও বাঁশখালীর ইকো পার্ক, মিরসরাইয়ের মহামায়া লেকসহ সব বিনোদন কেন্দ্রই লকডাউনের আওতায় আনা হয়।

শুধু বিনোদন কেন্দ্রগুলোর ওপরই নিষেধাজ্ঞা নয়, একে একে বন্ধ করা হয় নগরীর রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল, ক্লাব এবং কমিউনিটি সেন্টারগুলোও। দেশ ও জাতির স্বার্থে সেই নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। তখন থেকেই সামাজিক অনুষ্ঠানে লোকসমাগমে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এখন পর্যন্ত।