সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সীমান্ত হত্যা নিয়ে শ্রিংলার কাছে পররাষ্ট্র সচিবের উদ্বেগ প্রকাশ

৭:০৪ অপরাহ্ন | বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। আজ বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে ঢাকা সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি একথা জানান।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘সীমান্ত হত্যার বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। গত ৬-৭ মাস নিহতের সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। এ বিষয়ে আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি, ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’

আগামী মাসে বিজিবি-বিএসএফের মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের বৈঠক আছে জানিয়ে মাসুন বিন মোমেন বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, বৈঠকের আগে নতুন বিএসএফ ডিজিকে সীমান্ত হত্যার বিষয়টির নিয়ে নির্দেশনা দেবেন।’

মাসুদ বিন মোমেন আরও বলেন, দুই দেশের গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে আমরা যেসব তথ্য দেখতে পেয়েছি সে বিষয়ে পরস্পরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং সম্পর্ককে আরও বেগবান করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুত দেশে ফেরার ব্যাপারে তিনি সহযোগিতা করবেন। তাবলিগ জামাতের যারা গিয়েছিল সেখানে বেশ কিছুসংখ্যক বাংলাদেশি ছিল। তাদের একটা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তারা ছাড়ছে। অলরেডি কিছু বাংলাদেশি ফিরেও এসেছে। যার সংখ্যা একশর কাছাকাছি। আরও এ রকম শতাধিক ভারতে রয়েছে। তাদের ব্যাপারে যতটুকু পারা যায় সেই সমস্যারও সমাধান করবো।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য পদ পেয়েছে এ বছর। আমরা সমর্থন করেছি। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে তারা নিরাপত্তা পরিষদে বসবে। নিরাপত্তা পরিষদে বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচিত হয়। আমাদের একটা কনসার্ন আছে সেটা হচ্ছে রোহিঙ্গা ইস্যু। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা অনেক চেষ্টা করে এসেছি যাতে নিরাপত্তা পরিষদে একটা রেজুলেশন পাস করা যায়। কিন্তু কিছু কিছু স্থায়ী সদস্য এ ব্যাপারে তাদের রিজারভেশনের কারণে আমরা সেটা করতে পারিনি। আমরা ভারতের কাছে সাহায্য-সহযোগিতা চেয়েছি। বাইলেটেরালি তাদের সঙ্গেও মিয়ানমারের ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

এসময় তিনি বলেন, ‘করোনার সময় যেহেতু বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই কোনো দেশেরই। সেটার একটা ব্রেকথ্রু হিসেবে আমরা দেখছি এই ভিজিটটাকে। স্বয়ং মোদিজি এবং ফরেন মিনিস্টারের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই এখানে এসেছেন তিনি এবং করোনার সময় ওনারও প্রথম সফর এটি। উনি আমাকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দিল্লিতে যাওয়ার জন্য। জয়েন কনসালট্যান্ট কমিটির মিটিং হবে, তার আগেই হয়তো আমি একবার যাব।’

রিজভী হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন রিজভী

বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০

এরদোয়ান শিগগিরই ঢাকায় আসছেন এরদোয়ান

বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০