• আজ রবিবার। গ্রীষ্মকাল, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ১০:৫৮মিঃ

সেনা অবস্থান নিয়ে আবারও আলোচনায় ভারত-চিন

৯:২০ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২০, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চিনা সেনার অবস্থান নিয়ে প্রথম থেকেই ক্ষুব্ধ ভারত। একাধিক বার বলা সত্ত্বেও পূর্ব লাদাখে চিনা সেনার অবস্থানে পরিবর্তন হয়নি। এরই মধ্যে ৫বার সামরিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে বৈঠকে বসেছে ভারত ও চিন। তবে একটিও ফলপ্রসূ হয়নি।

এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ২০শে অগাষ্ট ফের বৈঠকে বসতে চলেছে দুই দেশ। জানা গিয়েছে, ওয়ার্কিন মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন বা ডব্লুএমসিসির আওতায় এই বৈঠক হবে। মূলত গত বেশ কয়েক মাস ধরে চলা সীমান্ত সমস্যা নিয়েই আলোচনা হবে বৈঠকে।

দুই দেশের কূটনীতিকরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করবেন। পূর্ব লাদাখে সেনা অবস্থান নিয়ে যে মতানৈক্য চলছে, তার উৎস খোঁজার চেষ্টা চলবে বৈঠকে। এই নিয়ে পঞ্চম বার বৈঠক হতে চলেছে দুই দেশের। তবে সবকটিই অমীমাংসিত ও প্রায় ব্যর্থ। সেনা না সরানোর চিনের অনড় মনোভাবের জন্যই একের পর এক বৈঠক ব্যর্থ হচ্ছে, মনে করছেন প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে,গত সপ্তাহেই চিনা সেনার বেশ কয়েকজন কর্পস কমান্ডারের সঙ্গে দেখা করেছেন চিনে ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিশ্রি। ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি কমিশনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের অফিসে মিশ্রি দেখা করেন মেজর জেনারেল সি গৌওয়েইয়ের সাথে। এই বৈঠকে ছিলেন সিপিসির সেন্ট্রাল কমিটির ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিশনের ডেপুটি ডিরেক্টর লিউ ঝিয়ানচাও।

তবে ডব্লুএমসিসির আওতায় যে বৈঠক হতে চলেছে, তা নিয়ে সরকারি ভাবে দুই দেশ কোনও মন্তব্য করেনি। তবে এই বৈঠক এদিন বিকেলে হবে বলেই সূত্রের খবর। তবে ভারত জানিয়ে দিয়েছে, যতক্ষণ না চিনা সেনা পুরোনো অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত কুগ্রাং নদীর তীরেই অবস্থান করবে ভারতীয় সেনা। এক পাও পিছু হটবে না তারা।

অন্যদিকে চিনা সেনার আকাশ পথে নজরদারি উত্তেজনা ছড়াচ্ছে লাদাখে। লাদাখ ও অধিকৃত আকসাই চিনে যেভাবে নজরদারি বাড়াচ্ছে চিনা সেনা, তা নজরে পড়েছে ভারতের। ভারতীয় সেনা জানাচ্ছে লাদাখের ১৫৯৭ কিমি সীমান্তে অবস্থান করছে পিএলএ। একাধিক বৈঠক, আলোচনা সত্ত্বেও পিছু হঠেনি চিনা সেনা, যা বিরক্তি বাড়িয়েছে নয়াদিল্লির।

জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই কাজ করছে চিনা সেনা, যাতে উসকানি দেওয়া যায়। তবে ধৈর্য রাখছে ভারত। আলোচনার সব রাস্তাই খোলা রাখা হয়েছে নয়াদিল্লির তরফে।