৫ সন্তানের মধ্যে বেঁচে যাওয়া ২ জনকে নিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে মা

◷ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২০, ২০২০ চট্টগ্রাম
sontan

রবিউল হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি: ৫ সন্তানের মধ্যে তিনজন মারা গেছে। এখন দুই সন্তান নিয়ে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় আছেন মাদরাসা শিক্ষক দম্পতি কুমিল্লার মিজানুর রহমান।

এরই মধ্যে চারটি হাসপাতাল ঘুরে এখন পাঁচ সন্তানের মা শারমিন আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এতে তার শারীরিক জটিলতা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। বুধবার এসব তথ্য জানান তার স্বামী মিজানুর রহমান।

এর আগে গত ১২ আগস্ট জেলার লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে অস্ত্রোপচার ছাড়া পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন মিজানুর রহমানের স্ত্রী শারমিন আক্তার। এর মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুজন মেয়ে। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে আনা হয়।

পথে এক ছেলে ও এক মেয়ে মারা যায়। অপর তিনজনকে কুমিল্লার একটি হাসপাতালের ইনকিউবেটরে রাখা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত শুক্রবার তাদের ঢাকা শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে শয্যা না পেয়ে ধানমন্ডির উইমেন্স অ্যান্ড চিলড্রেন জেনারেল হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়। সেখানে রোববার রাতে মারা যান এক ছেলে। পরে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলে আসেন। বর্তমানে দুই শিশু ঢামেক হাসপাতালের ইনকিউবেটরে আছে।

লাকসাম জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ লতিফা আক্তার বলেন, ওই প্রসূতি সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন। তিনি স্বাভাবিকভাবে পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন। ওদের ওজন কম ছিল। বাচ্চাগুলোকে উন্নত পরিবেশে ইনকিউবেটরে রাখার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পৌলাইয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চান্দিশকরা নুরানি মাদরাসার শিক্ষক মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, তার দুই সন্তানের অবস্থা অপরিবর্তিত। তার স্ত্রী এখনও অসুস্থ, কিন্তু হাসপাতালে সিট পাননি। ফ্লোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। একটি বেড কিংবা কেবিন পেলে সুবিধা হয়। এদিকে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে মিজানুর রহমান গণমাধ্যমে বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তিনি কিছু সহযোগিতা পেয়েছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

motor কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

⊡ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২১, ২০২১