সংবাদ শিরোনাম
পা হারানো রাসেলকে আরও ২০ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ | প্রথম আলো সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য | আত্রাইয়ে বন্যার্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ | টিম পজিটিভ বাংলাদেশের পক্ষে ৫০০ ছিন্নমূল মানুষকে খাওয়ালেন রাব্বানী | দেবীগঞ্জে বাড়িতে হামলার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মিছিল | কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় ভারতীয় সেনা নিহত | বিতর্কিত অঞ্চল না ছাড়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি আজারবাইজানের | আবারও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড়াল দিচ্ছেন সাকিব | একাই নির্জন কনডেম সেলে মিন্নি! | জমি লিখে না দেয়ায় বাবাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিলো ছেলেরা |
  • আজ ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আমলকীকে উপকারী বন্ধু বলা যেতে পারে

৮:৩০ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২০ Uncategorized
Amloki

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক: আমলকীকে উপকারী বন্ধু বলা যেতে পারে। আর তা খাওয়াও যায় অনেক ভাবে। কাঁচা চিবিয়ে খান বা রস করে, উপকার পাবেন দুই পদ্ধতিতেই। তবে আমলকী সিদ্ধ করে খেলে এর ভিটামিন সি অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। পুষ্টিবিদদের মতে, ‘‘শরীরে ভিটামিন সি-র ঘাটতি মিটিয়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আমলকীর জুড়ি নেই। পেয়ারা, কাগজিলেবু, কমলালেবু, আম, আপেলের চেয়েও বেশি ভিটামিন সি রয়েছে আমলকীতে।’’ তাই ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে রোজ একটা করে আমলকী খেতে পারেন। আবার অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর হওয়ায় শরীরের টক্সিন বার করে দিতেও সাহায্য করে এই ফলটি। আরও অনেক রোগের পথ্য হিসেবেও আমলকী খাওয়ার পরামর্শ দেন ডায়াটিশিয়ানরা। ‘‘কাঁচা বা রস করে খান। আমলকীর আচার বা স্যালাড  খেলেও একই উপকার পাবেন।’’

দীর্ঘমেয়াদি সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরের সমস্যার পথ্য হিসেবেও আমলকী সমান কার্যকর। টিউবারকিউলোসিস (টিবি) রোগ থেকেও সুরক্ষা দেয় এটি।  ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজ়মা থেকে মুক্তি পেতেও আমলকী অব্যর্থ।  আমলকীতে পলিফেনল থাকায় তা ক্যানসারাস কোষের বাড়বৃদ্ধিতেও বাধা দেয়। তাছারা নিয়মিত খেলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতেও সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে অনেকটাই। এর ফাইবার শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সহায়ক। মুখের আলসার বা দাঁতের ক্ষত সারাতেও এর জুড়ি নেই। আমলকীতে থাকা ক্রোমিয়াম শরীরের ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে, সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।  বয়স্কদের জন্যও খুব উপকারী। এতে ক্যারোটিন থাকায় দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ছানি পড়া, চোখে চুলকানি বা জল পড়ার সমস্যা থেকেও রেহাই দেয়। এর রস স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন ঘটিয়ে চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে। আমলকীতে অ্যান্টিএজিং উপাদান রয়েছে, যা বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে।

তবে এমন মানুষও অনেক আছে, যাঁরা টক খেতে পারেন না। অনেকে আবার কোনও অপারেশনের পর ঘা না শুকোনোর ভয়ে আমলকীকে দূরে সরিয়ে রাখেন। এটা কি আদৌ ঠিক? ‘‘কাঁচা আমলকী না খেয়ে এর রস জলের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। সুগার না হলে, সঙ্গে অল্প  মধু মেশান। অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে  মুক্তিও পাবেন। অপারেশনের পরে আমলকী খেলে কোনও সমস্যা নেই, বরং এতে ঘা বা ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। তাই এ ধরনের ভ্রান্ত ধারণা সকলের আগে মন থেকে দূর করা উচিত’’।

আবহাওয়া বদলের এই মরসুমে, সঙ্গে করোনা অতিমারির লড়াইয়ে শরীর সতেজ রাখতে আমলকী কিন্তু হতে পারে বিশ্বস্ত বন্ধু। শরীর সুস্থ রাখার সঙ্গেই ত্বক ও চুলের জেল্লাও বজায় রাখে এটি।