সংবাদ শিরোনাম
করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | টাঙ্গাইলে আল্লামা আলাউদ্দিন জিহাদীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন | ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ | সিলেটে ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ছাত্রলীগের সাইফুরের বিরুদ্ধে মামলা | ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন | যে কারণে এই মুহূর্তে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন না নুর | টাঙ্গাইলে বন্যায় সড়ক বিভাগের ৬০ কিলোমিটার রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি | এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ, ছাত্রলীগের যাদের খুঁজছে পুলিশ |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘বিএনপির নেতৃত্বকে কবর দিতে ২১ আগস্টের ঘটনা ঘটানো হয়েছে’- গয়েশ্বর

৬:৫৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২০ ঢাকা
sova

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকাঃ ‘বিএনপির নেতৃত্বকে কবর দিতেই ২০০৪ সালের সংঘটিত ২১ আগস্টের ঘটনা এক-এগারোর রি-অ্যারেজমেন্ট’ উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘২১ আগস্টের ঘটনাটা হাসিনাকে মারার বড় চক্রান্ত- এখানেই সীমাবদ্ধ ছিল না। যদি থাকে, এই চক্রান্ত ছিল সেদিন জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্বের কবর দেয়া। এটা একটা রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে বিএনপির ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে।’

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ঢাকা জেলা বিএনপির আয়োজনে দলটির সদ্য প্রয়াত ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ওই ঘটনার প্রকৃত দোষীরা এখনও বেঁচে আছে, নিরাপদে বেঁচে আছে এবং ভালো আছে। তারা দেশে আছে, দেশের বাইরেও আছে। সেটা সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার কারও অজানা থাকার কোনো কারণ নেই। সেটা দেশি-বিদেশি গোয়েন্দারা যদি সম্মিলিতভাবে কাজ করে তাহলে এটা তাদের নখদর্পণের থাকার কথা। যেহেতু এটা একটি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের ব্যাপার সেই কারণে আসল ঘটনা কখনও আলোর মুখ দেখবে না, আপনারা-আমরা জানব না।’

তিনি বলেন, ‘এই যে ভুল অ্যাপ্লিকেশন পলিটিক্সে- মিথ্যা দিয়ে সত্যকে চাপা দেয়া, দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে সামগ্রিক রাজনীতিকে দুর্ঘটনায় ফেলা। ২১ আগস্ট এই রকম ঘটনা- যা ১/১১-র কোনো রি-অ্যারেজমেন্ট হতে পারে। এই যে ১/১১ টা আসছে সরকারে।’

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘১/১১-তে কে ভিকটিম হয়েছে? বিএনপি হয়েছে, খালেদা জিয়া হয়েছে। ১/১১-তে লাভবান হয়েছে কে? হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ। তাহলে ডাউট অব দ্যা বেনিফিসারি যদি বলা হয় ১/১১ এর মাধ্যমে বেনিফিট হয়েছে বিএনপির অতি মুখোমুখি প্রতিপক্ষ।’

ক্ষমতায় থাকাকালে নিজ সরকারের ভুল-ভ্রান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মনের ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সরকারে থাকতে ভুল-ভ্রান্তি আমাদের কিছু ছিল। যার খেসারত আজকে জনগণ দিচ্ছে, আজকে আমরা দিচ্ছি, খেসারত তারেক রহমান দিচ্ছেন, খেসারত খালেদা জিয়া দিচ্ছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, যারা অপকর্ম করেছে তারা খেসারত দেয় নাই, তারা কিন্তু আমাদের আশে-পাশে আরো বলিয়ান হওয়ার চেষ্টা করছে। এটা (২১ আগস্টের ঘটনা) বাংলাদেশের ভাবনা থেকে হয় নাই, এই ভাবনার পরিকল্পনা অন্য কোথাও বাস করে। তবে এটাও ঠিক, এই গ্রেনেড হামলায় যারা সম্পৃক্ত তারা ভিকটিম হয় নাই, আসামি হয় নাই। এখানে আমাদেরও ব্যর্থতা আছে। আর সরকার সেই পারপাসটা ভালো করে আমাদের ওপরে চাপিয়ে দিতে পারছে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে যদি চিন্তা করতেন, চেষ্টা করতেন— তিনি খুব ভালো করে জানেন যে ঘটনাটা কেন ঘটেছিল এবং কারা ঘটিয়েছিল। এতদিনে তার অজানা থাকার কথা নয়।

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক শাহ নেসারুল হক।

জেলা সভাপতি দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের পরিচালনায় আলোচনা সভায় দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, আমিনুল ইসলাম, ধামরাই ‍উপজেলা চেয়ারম্যান তমিজউদ্দিন আহমেদ ও প্রয়াত নেতার একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার মেজনাজ মান্নান বক্তব্য রাখেন।