সংবাদ শিরোনাম
মাগুরায় বাস খাদে পড়ে প্রাণ গেল চারজনের | কিশোরগঞ্জে একসঙ্গে ৪ কন্যা শিশুর জন্ম | এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হল আল্লামা শফীকে | ফ্যানে ঝুলছিল বড় বোনের নিথর দেহ, মেঝেতে ছোট বোনের লাশ! | নোবিপ্রবির গবেষকদের গবেষণা: বর্জ্য পানিতে করোনা ভাইরাসের সন্ধান! | আরব-ইসরাইল সম্পর্কের প্রতিবাদে বাহরাইনে বিক্ষোভ অব্যাহত | আল্লামা শফীর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন, এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে আনা হচ্ছে ঢাকায় | ‘পাত্র চাই’ বিজ্ঞাপন দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ | খাগড়াছড়িতে বাস ও মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ | ‘বঙ্গবন্ধু শুধু আ.লীগের না সারাদেশের ও সারাবিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা’- খাদ্যমন্ত্রী |
  • আজ ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: ওসি প্রদীপ ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৫:০২ অপরাহ্ণ | রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদকে গুলি করে হত্যা মামলায় কারাগারে বন্দি টেকনাফ থানার বির্তকিত সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুনীর্তি দমন কমিশন।

আজ রবিবার (২৩ আগষ্ট) দুপুরে দুদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়-১ এ সমন্বিত আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানায়, প্রায় ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে বরখাস্তকৃত টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা দায়ের করেছে দুর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রদীপের সম্পদ অনুসন্ধান এবং প্রাথমিক তদন্ত দুদকের কেন্দ্রীয় অনুমোদন প্রাপ্তির পর এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

দুদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয় মুলত ২০১৮ সাল থেকে। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব দাখিলের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে একই বছরের জুন মাসে ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। এই সম্পদ বিবরণীর আলোকে দীর্ঘ অনুসন্ধানে দুদক প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় ৪ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে।

১৯৯৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে চাকুরি পাওয়ার পর থেকেই মুলত ওসি প্রদীপ অবৈধ সম্পদ অর্জনে আত্মনিয়োগ করে। তার সম্পদ দৃশ্যমান হতে থাকে ২০০২ সাল থেকে। দুদক সূত্র জানায়, ওসি প্রদীপের সব সম্পত্তিই তার স্ত্রী চুমকি কারণের নামে। যার কোন বিশ্বাসযোগ্য জ্ঞাত আয়ের উৎসই নেই। চুমকী কারণের নামে ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৯ টাকার সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এর মধ্যে তিনি পারিবারিক ব্যয়সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে খরচ করেছেন ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

চুমকি কারণের পূর্বের সঞ্চয়, উপহার, বাড়িভাড়া থেকে বৈধ আয় হিসেবে ৪৯ লাখ ১৩ হাজার ২৩৪ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। বৈধ আয় বাদ দিলে চুমকীর নামে মোট তিন কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার অবৈধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। এটা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে সম্পদ ক্রয় করে স্ত্রীর নামে রেখেছেন বলে দুদক অনুসন্ধানে তথ্য পেয়েছে।