সংবাদ শিরোনাম

ইতালিতে রাজনৈতিক সঙ্কট: আস্থাভোটে বিজয়ী জুসেপ্পে কন্তে, রাতে ভাগ্য নির্ধারণটাঙ্গাইলে জিয়াউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন পালিতমানিকগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলারাস্তায় ঘুরে ঘুরে পোস্টার থেকে ‘আল্লাহ’র নাম সংগ্রহ করেন হোসনে আরাআজকে শপথ গ্রহণ করছি, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনবো: মির্জা ফখরুলজিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী আজজনগণের সাড়া আছে বলেই পৌরসভায় ৯০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি: কাদেরবিমানবন্দর সড়কে স্বামী-স্ত্রীকে চাপা দেওয়া সেই বাসচালক আটকসাঈদ খোকনের দুই মামলার একটি খারিজ, অন্যটি প্রত্যাহারফুটপাতে ঘুমন্ত শ্রমিকদের চাপা দিল ট্রাক, নিহত ১৫

  • আজ ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পাকা বাড়িতে বসবাস করছেন তারাগঞ্জের ৪৭টি পরিবার

◷ ৪:০৩ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, আগস্ট ২৪, ২০২০ দেশের খবর, রংপুর
I880000

সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর- নছিমন বেগম, ভিক্ষা করেই চলে তার জীবন-জীবিকা। স্বামী লেকচার মিয়া ৩ বছর আগে মারা গেছেন। নিজের থাকার মত জমি বা বসত ঘর ছিলো না। সারাদিন ভিক্ষা করে সরকারি খাস জমিতে ঝুপড়ি ঘরে থাকতে হতো বাক প্রতিবন্ধী ছেলে নজরুল ইসলাম কে সাথে নিয়ে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টি.আর-কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সবার জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের পাকা ঘর পেয়ে খুবই খুশি নছিমন বেগম। তার বাড়ি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের আদর্শপাড়া গ্রামে।

জানা গেছে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ২০১৯-২০ অর্থ বছরের টি.আর কাবিটা কর্মসূচীর আওতায় বিশেষ বরাদ্দ হতে জমি আছে ঘর নেই গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণের জন্য ১,৪০,৯৩,৪২০/- টাকা বিপরীত ৪৭ টি বাড়ি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয় দূর্যোগ মন্ত্রণালয়। প্রতিটি বাড়ীর জন্য বরাদ্দ ছিল ২,৯৯,৮৬০/- টাকা। দুই শতক জমির উপর আধাপাকা টিন শেড বাড়িগুলোতে ২টি বেড রুম, ১টি রান্না ঘর, ১টি বাথরুম, কড়িডোর ও বারান্দা রয়েছে। মেঝে পাকা করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘরে রয়েছে ৩টি করে দরজা ও চারটি করে লোহার জানালা। সুন্দর ডিজাইনের পাকা ঘরে রঙিন টিন ও ওয়াল রং করে দেয়া হয়েছে। যা দূর থেকে নজর কাড়ে সবার। তৈরিকৃত বাড়িগুলো হচ্ছে আলমপুর ইউনিয়নে ৯টি, কুর্শা ইউনিয়নে ১০টি, ইকরচালী ইউপিতে ৯টি, হাড়িয়ারকুটি ইউপিতে ১০টি ও সয়ার ইউনিয়নে ৯টিসহ মোট ৪৭টি বাড়ি।

ভিক্ষুক নছিমন বেগম এ জানান, আজ শান্তিতে ঘুম যাবার পাইছোল। শেখের বেটিকে ধন্যবাদ দেও। হামার মতন নিঃস্ব মানুষগুলোর পাশত দাঁড়াবার জন্যে। ঘর পাইতে কাকো কোনো টাকা পয়সা দেওয়া নাগেনি। অনেকে হামাক সাহায্য দিছে, কিন্তুক টাকা পয়সা ছাড়া ঘর পামো এমন আশা কখনও করিনি। আল্লাহ শেখ হাসিনাকে দীর্ঘজীবি করুক।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বায়স্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মমিন জানান, গুণগত মান বজায় রেখে, সুন্দরভাবে সকল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪৭টি পরিবারকে পাকা ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। এতে করে গ্রামের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন হবে।

তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলার অসচ্ছল, দুঃস্থ, বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ গৃহহীন পরিবারগুলোর জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের মাধ্যমে আধাপাকা বাড়ি তৈরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বাস্তবায়িত বাড়িগুলো নিয়ম মোতাবেক শত ভাগ গুনগত মান রক্ষা করে, ডিজাইন অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়েছে।