সংবাদ শিরোনাম
মির্জাপুরে টিনশেট নামাতে গিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্টে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু | বগুড়ায় ৭৪ পাউন্ডের কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন | সাতক্ষীরায় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জীবিকা নির্বাহের উপকরণ দিল নৌবাহিনী | তারানা হালিমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে মামলা | ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : ‘ধর্ষক’ রবিউলও পাঁচদিনের রিমান্ডে | ধর্ষণ থেকে বাঁচতে স্বামীর বন্ধুর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ | ‘দোয়া চাই, যতদিন বেঁচে আছি সম্মানের সঙ্গে যেন বাঁচতে পারি’ | ‘বাংলাদেশের মানুষ সব ধরনের বাধা অতিক্রম করার সক্ষমতা রাখে’- প্রধানমন্ত্রী | শেখ হাসিনা আমাদের জন্য আলোকবর্তিকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী | আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে ৬ পদক পেল বাংলাদেশ |
  • আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি বিএনপির

৯:৪৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২০ জাতীয়
bnp

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ২০১৯ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে দলটি। এতে দেখা গেছে, এক পঞ্জিকা বছরে দলটির আয়ের চেয়ে ব্যয় হয়েছে তিন গুণের বেশি।

মঙ্গলবার দুপুরে ইসির সিনিয়র সচিব আলমগীর হোসেনের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়া হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ২০১৯ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেয়।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হিসাব বিবরণীতে দলীয় সদস্যদের চাঁদা, মনোনয়নপত্র বিক্রি ও অনুদান থেকে আয় দেখানো হয়েছে ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৭শ ১০ টাকা। আর মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৩৭ টাকা।

দলের কার্যালয়ের কর্মরত স্টাফদের বেতন-ভাতা, বিভিন্ন বিল পরিশোধ, পোস্টার ছাপানো, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি বাবদ এই ব্যয় হয়েছে বলে বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, দলের ব্যাংক হিসাবের অর্থ থেকে আয়ের অতিরিক্ত অর্থ মেটানো হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী প্রতিবছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব দলগুলোকে জমা দিতে হয়। এবার ৩১ জুলাই ঈদের ছুটি ছিল। তাই আইন অনুযায়ী, ঈদের ছুটি শেষে গত ৩ আগস্ট প্রথম সরকারি কর্মদিবস ছিল হিসাব জমা দেওয়ার শেষ সময়। পরে রাজনৈতিক দলগুলোর ২০১৯ এর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরপর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪১টি।