সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তরুণদের ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ এবং চাইনিজ ভাষাও শিখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

⏱ ১০:২৩ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২০ 📂 জাতীয়
pm

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তরুণদের কেবল বাংলা বা ইংরেজি জানলে হবে না। সঙ্গে ফ্রান্স, জার্মানি, স্প্যানিশ এবং চাইনিজ ভাষা শিখতে হবে। তাহলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ বেশি বেশি পেতে সুবিধা হবে। তাছাড়া শুধু ফ্রিল্যান্সিংয়ে নয়, বিদেশে আমাদের দেশের শ্রমিকদের চাহিদা বাড়বে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে সভায় যুক্ত হন। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে গবেষণা আরও বাড়াতে বলেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তরুণদের বেশি করে বিদেশি ভাষা শেখার তাগিদ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তরুণদের কেবল বাংলা বা ইংরেজি জানলে হবে না। এর সঙ্গে ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ এবং চাইনিজ ভাষা শিখতে হবে। তাহলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ বেশি বেশি পেতে সুবিধা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০ উদ্যোগ প্রচার ও সম্প্রসারণসহ ৫ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৭০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ৪৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা, বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১ হাজার ২ কোটি ৪২ লাখ এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৮২ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

টাকার অংকে সবচেয়ে বড় প্রকল্প ডিপিডিসি'র আওতাধীন এলাকায় উপকেন্দ্র নির্মাণ ও পুনর্বাসন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ক্যাপাসিটর ব্যাংক স্থাপন এবং স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার প্রবর্তন প্রকল্প। ডিপিডিসির অধীনের এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ৩৬৯ কোটি ২ লাখ, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮২ কোটি ৬০ লাখ আর বৈদেশিক উৎস হতে প্রকল্পটিতে ব্যয় করা হবে ১ হাজার ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত।

বাংলাদেশ হাইটেক কর্তৃপক্ষের অধীনে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (১১টি) প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ৫ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের পুরো টাকাই দেবে সরকার।

মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

সংশোধিত প্রকল্পের মধ্যে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও ভ্রূণ স্থানান্তর প্রযুক্তি বাস্তবায়ন (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২ বছর।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রচার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এই প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এক বছর।