সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী | ইউএনওর ওপর হামলায় রবিউল জড়িত নয়, দাবি পরিবারের | মাদারীপুরে মাছ ধরতে গিয়ে সাপের ছোবলে কাতার প্রবাসীর মৃত্যু | রংপুরে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় স্বামীর মৃতুদন্ড, সহযোগীর যাবজ্জীবন | তারানা হালিমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা খারিজ | নুরদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি | সীমান্ত সুরক্ষা: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২২৯০ কোটি টাকার অস্ত্র কিনছে ভারত | রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ওআইসির | নকল মাস্ক সরবরাহ: জেএমআই’র চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার | এমসি কলেজে গণধর্ষণ: শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন |
  • আজ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মাদার তেরেসার বিখ্যাত কিছু উক্তি

১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২০ জানা-অজানা
munna-1-teresa

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ মাদার তেরেসাকে বিশ্বশান্তির পায়রা বলে অভিহিত করা হতো। মানুষের কল্যাণই ছিল তার ব্রত। তিনি একজন আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত ভারতীয়। কিন্তু দেশ বা কালের সীমানা ডিঙিয়ে তিনি ছুটেছেন আর্তের সেবায়।

১৯৫০ সালে কলকাতায় তিনি মিশনারিজ অব চ্যারিটি নামে একটি সেবাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সুদীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে তিনি দরিদ্র, অসুস্থ, অনাথ ও মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের সেবা করেছেন। সেই সঙ্গে মিশনারিজ অব চ্যারিটির বিকাশ ও উন্নয়নেও অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তার এই মিশনারি কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭০-এর দশকের মধ্যেই সমাজসেবী এবং অনাথ ও দুস্থজনের বন্ধু হিসেবে তার খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যালকম ম্যাগাজিনের বই ও প্রামাণ্য তথ্যচিত্র ‘সামথিং বিউটিফুল ফর গড’ তার সেবাকার্যের প্রচারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৭৯ সালের ১৭ অক্টোবর তিনি তার সেবাকার্যের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন।

তিনি বিশ্বের ১২৩টি রাষ্ট্রে এইচআইভি/এইডস, কুষ্ঠ ও যক্ষ্মার চিকিৎসাকেন্দ্র, ভোজনশালা, শিশু ও পরিবার পরামর্শ কেন্দ্র, অনাথ আশ্রম এবং বিদ্যালয়সহ মিশনারিজ অব চ্যারিটির ৬১০টি কেন্দ্র নির্মাণে অবদান রেখেছেন। বিভিন্ন ব্যক্তি, সংস্থা ও একাধিক রাষ্ট্রের সরকার তার কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে।

অসহায়দের নিয়ে চলাফেরার সাথে সাথে তাঁর নিজের মধ্যেও অনেক উপলব্ধি এসেছিলো যা মাদার তেরেসার নানা উক্তির মাধ্যমেই প্রকাশ পেয়েছে। এসব উক্তি যতটা শ্রুতিমধুর, ঠিক ততটাই অনুপ্রেরণামূলক।

মাদার তেরেসার বিখ্যাত কিছু উক্তি-

* আমি ঈশ্বরের হাতের একটি ছোট পেনসিল- যা দ্বারা ঈশ্বর পৃথিবীতে ভালোবাসার চিঠি লিখছেন।

* ছোট বিষয়ে বিশ্বস্ত হও কারণ এর ওপরেই তোমার শক্তি নির্ভর করে।

* কেবল সেবা নয়, মানুষকে দাও তোমার হৃদয়। হৃদয়হীন সেবা নয়, তারা চায় তোমার অন্তরের স্পর্শ।

* তুমি দৃশ্যমান মানুষকে যদি ভালোবাসতে না পারো তবে অদৃশ্য ঈশ্বরকে কী করে ভালোবাসবে?

* আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রার্থনা করি। প্রভু, আমাদের যোগ্য করো, যেন আমরা পৃথিবীতে যেসব মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে ক্ষুধার মধ্যে জীবনযাপন করেন, মৃত্যুমুখে পতিত হন, তাদের সেবা করতে পারি।

* তুমি যখন কারও সঙ্গে দেখা করো, তখন হাসিমুখ নিয়েই তার সামনে যাও। কেন না হাস্যোজ্জ্বল মুখ হল ভালোবাসার শুরু।

* হৃদয়কে স্পর্শ করতে চায় নীরবতা। কলরবের আড়ালে নীরবেই পৌঁছাতে হয় আর্তের কাছে।

* ভালোবাসার কথাগুলো হয়তো খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ হতে পারে কিন্তু এর প্রতিধ্বনি কখনও শেষ হয় না।

* আনন্দই প্রার্থনা, আনন্দই শক্তি, আনন্দই ভালোবাসা।

১৯৯৭ সালের ১৩ মার্চ বার্ধক্যজনিত কারণে মিশনারিস অফ চ্যারিটির প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পরলোক গমন করেন মহীয়সী এই নারী।