দেশে কখন কি ঘটে বলা যায় না: ওবায়দুল কাদের

৬:০২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- দেশে কখন কী ঘটে বলা যায় না, তাই দলের নেতাকর্মীদের ক্ষমতার দাপট না দেখানোর জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আলোচনা সভায় যুক্ত হন।

দলীয় কর্মীদেরকে সতর্ক করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বলেন, ‘চিরকাল কেউ ক্ষমতায় থাকে না। চোখের পলকে বাংলাদেশে ১৫ আগস্ট ঘটে গেছে। হঠাৎ করে ২১ আগস্ট। দল ক্ষমতায় আছে, এখন যে যেখানে আছেন ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। যখন ক্ষমতায় থাকবেন না, প্রতিপক্ষ প্রতিশোধ নেবে।’

তিনি বলেন, যারা দল করেন তারা মনে রাখবেন যে, দলে যদি ঐক্যকে গুরুত্ব না দেন, নিজেদের মধ্যে কলহ- কোন্দল থাকে তাহলে দু:সময়ে প্রতিপক্ষ কোন্দলের উপর আঘাত হানবে। এদেশে কখন কি ঘটে বলা যায় না। চিরজীবন আমরা ক্ষমতায় থাকবো এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাবেন না, আমরাও ভাবি না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, হত্যা হত্যাকে ডেকে আনে। জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকতেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতেন তাহলে আরেকটি খুনী চক্র জিয়াউর রহমানকে হত্যা করতে পারতো না বলে আমার বিশ্বাস। যে বুলেট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে এতিম করেছে, সেই বুলেট খালেদা জিয়াকে বিধবা করেছে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিভিন্ন হত্যাকান্ডের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদেরকে যিনি পুরস্কৃত করেছেন এবং হত্যার বিচার করা হবে না বলে ইনডেমনিটি আইন সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনিতে অন্তর্ভূক্ত করেছিলেন তাকে বলা হয় বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তারপর আবার ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা। যারা বিচার বর্হিভুত হত্যার কথা বলে তারা যেনো নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখে নেয়।

দেশে বিদ্যমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে হারে সংক্রমণের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞরা করেছিলেন, সেই হারে সংক্রমণ হয়নি। তারপরও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে শৈথিল্য না দেখিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে জনবল বাড়ানো হয়েছে, জনবল আরও দরকার। আমাদের করোনা সুরক্ষা সামগ্রী আরও দরকার। কিছু কিছু বেসরকারি মেডিকেল হাসপতালে শিক্ষা ও সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেবার ব্রত নিয়ে সকলকে কাজ করতে হবে।